শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মবকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে : ডা. জাহেদ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব বা গণপিটুনির ঘটনাগুলোকে অনেকটাই প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে, যার ফলে সমাজে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার একটি প্রবণতা তৈরি হয়েছে।  

বর্তমান সরকার এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান এ কথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমানের মতে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা সমাজে চরম অরাজকতা সৃষ্টি করে এবং এটি সম্পূর্ণরূপে একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। অতীতে এই অপসংস্কৃতিকে প্রশ্রয় দেওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে এমন একটি ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে তারা চাইলেই কাউকে শাস্তি দিতে পারে, যা থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসা জরুরি।

ডা. জাহেদ আরও উল্লেখ করেন, কেউ যদি গুরুতর কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হয়, তাকে পিটিয়ে মারা তো দূরের কথা, শারীরিকভাবে আঘাত করাও আইনসম্মত নয়। তিনি স্বীকার করেন যে কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা থাকতে পারে, তবে সরকার সেই ঘাটতিগুলো কাটিয়ে উঠতে নিরলসভাবে কাজ করছে।

ভবিষ্যতে এ ধরনের নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে ইতিপূর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে বলেও তিনি ব্রিফিংয়ে জানান।

পরিকল্পিত বা সংগঠিত সহিংসতাকে কঠোরভাবে দমন করার অঙ্গীকার করে উপদেষ্টা বলেন, সরকার প্রকৃত অপরাধীকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনবে, তবে তা কোনোভাবেই গণপিটুনির মাধ্যমে নয়।

ভোরের আকাশ/ র.ই

ডা. জাহেদমব সন্ত্রাস

শেয়ার করুন: