শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আইন প্রয়োগের মাধ্যমে হর্নমুক্ত দেশ পাওয়ার আশাবাদ পরিবেশ উপদেষ্টার

ভোরের আকাশ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
আইন প্রয়োগের মাধ্যমে হর্নমুক্ত দেশ পাওয়ার আশাবাদ পরিবেশ উপদেষ্টার
আইন প্রয়োগের মাধ্যমে হর্নমুক্ত দেশ পাওয়ার আশাবাদ পরিবেশ উপদেষ্টার

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আইন প্রয়োগের মাধ্যমে একদিন আমরা হর্নমুক্ত বাংলাদেশ পাবো বলে আশা করছি। আমরা শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা প্রণয়ন করেছি। এর সঠিক প্রয়োগ করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকায় হাইকোর্ট মাজার চত্তরে ‘ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিতকরণ কর্মসূচি’বাস্তবায়নে পরিবেশ অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ এবং ডিএনসিসির- সমন্বিত অভিযানে হর্নের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আয়োজিত সমাবেশে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বিধিমালায় সকল উৎস থেকে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের বিধান রাখা হয়েছে। তবে প্রথমত, হর্নের দূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এটা শুরু হচ্ছে। বিধিমালায় বাংলাদেশ পুলিশকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তারা সরাসরি জরিমানা করতে পারবেন। বাংলাদেশ পুলিশ আইন অনুযায়ী শাস্তি প্রয়োগ শুরু করেছে। বাংলাদেশে আগে এটা হয়নি।

উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, আস্তে আস্তে মানুষের অভ্যাসের পরিবর্তন আসবে। এসময় তিনি পুলিশ কর্তৃপক্ষকে দ্রুততম সময়ে আগামী ছয় মাসের জন্য নীরব এলাকা ঘোষিত এলাকাগুলোতে কীভাবে কাজ করা হবে তার একটি বাস্তবায়ন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশনা দেন।

আন্তরিক সহযোগিতার জন্য তিনি পরিবেশ অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ ও ডিএনসিসি-র কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোঃ সারোয়ার। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ আনিসুর রহমান, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদসহ অন্যান্যরা।

 

ভোরের আকাশ/ এনএস

শেয়ার করুন: