শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনারকে হত্যার হুমকি

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ৯:৫৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রাঙ্গণে শনিবার (২০ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ৯টার দিকে একদল উগ্র হিন্দু হামলা ও বিক্ষোভ চালায়। অখণ্ড হিন্দু রাষ্ট্রসেনার ব্যানারে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল চার থেকে পাঁচটি গাড়িতে করে সব নিরাপত্তা বেষ্টনী অতিক্রম করে বাংলাদেশ হাউসের মূল ফটকের সামনে উপস্থিত হয়। সেখানে তারা বাংলাদেশবিরোধী নানা স্লোগান দেয় এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে হত্যার হুমকি দেয়।

এ ঘটনাকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছে ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রগুলো।

ঘটনা সম্পর্কে অবগত ঢাকা ও দিল্লির একাধিক কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, অখণ্ড হিন্দু রাষ্ট্রসেনার অন্তত ২০ থেকে ২৫ জনের একটি উগ্রবাদী দল চার থেকে পাঁচটি গাড়িতে করে সব নিরাপত্তা বেষ্টনী পার হয়ে বাংলাদেশ হাউসের মূল ফটকের সামনে চলে আসে। এ সময় তারা বাংলাদেশবিরোধী উগ্র স্লোগান দিতে থাকে। তাদের মধ্যে কয়েকজন চিৎকার করে হাইকিশনারের উদ্দেশে বলতে থাকে, ‘শালাকে গুলি করে মার’।

এ ঘটনা যখন ঘটছিল তখন বাংলাদেশ হাউসের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বাহিনীর সদস্যরা নীরবে দাঁড়িয়ে ছিল। তাদের সেখানে আসতে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হয়নি নিরাপত্তা কর্মীদের পক্ষ থেকে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো আরো জানিয়েছে, তারা অনেকক্ষণ ধরে স্লোগান দেওয়ার পর নিরাপদে বাংলাদেশ হাউসের ফটক ত্যাগ করে। এ সময় হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ ও তার পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশ হাউসেই অবস্থান করছিলেন। হাইকিশনার ও তার পরিবারের সদস্যরা সম্পূর্ণ নিরাপত্তাহীন অবস্থায় ছিলেন। কারণ, এই উগ্রবাদীদের ঠেকাতে নিরাপত্তা বাহিনী কোনো পদক্ষেপই নেয়নি।

দিল্লির কূটনৈতিক সূত্র বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছে, রাতের আঁধারে চানক্যপুরী অর্থাৎ কূটনৈতিকপাড়ায় কিভাবে উগ্র হিন্দুরা বিক্ষোভ করতে পারল তা একটি বড় প্রশ্ন। কারণ কর্তৃপক্ষের সম্মতি ছাড়া কোনোভাবেই এ সুরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ করা সম্ভব নয়।

এদিকে, বাংলাদেশ হাইকমিশন আক্রান্তের ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানোর পাশাপাশি কিছু পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে বলে সরকারের নীতিনির্ধারক সূত্রে জানা গেছে। এসব পদক্ষেপের মধ্যে দিল্লি ও আগরতলায় ভিসা সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের দিকে চারদলীয় জোট সরকারের সময় দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটলে তখনো কিছু উগ্রবাদী হিন্দু বাংলাদেশ হাইকমিশনের দিকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢোকার চেষ্টা করে। তবে তখন হাইকমিশন থেকে কিছুটা দূরেই পুলিশ তাদের আটকে দেয়।

এ ছাড়া গত বছরের অক্টোবরে আগরতলায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে উগ্রবাদী হিন্দুরা হামলা চালিয়ে রীতিমতো তছনছ করে।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার পর বাংলাদেশে যখন তীব্র প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি ভারতবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে, ঠিক সেই মহূর্তে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন আক্রান্ত হলো। গত কয়েকদিন ধরে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুদেশের দূতকে পাল্টাপাল্টি তলবসহ সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত দুদিন আগে ভারতের সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশের ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে মোদি সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশ ইস্যুতে ভারত সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়েছে।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

বাংলাদেশ হাইকমিশনদিল্লিহত্যার হুমকি

শেয়ার করুন: