শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠায় আগ্রহী ঢাকা-দিল্লি

মাজাহারুল ইসলাম

প্রকাশ : ২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

টানাপোড়েন কাটিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে ঢাকা-দিল্লির। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে এক ধরনের দূরত্ব বা শীতলতা তৈরি হয়েছিল, তা নিরসনে ঢাকা ও দিল্লি-উভয় পক্ষই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকসহ রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। 

তাদের মতে, চলতি বছর ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথের মধ্য দিয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠিত হয়। নতুন সরকারের স্লোগান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ অথাৎ বাংলাদেশের স্বার্থ রেখে সবার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।  

সংশ্লিষ্টরা বলছে, বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মারা যাওয়ার পর নরেন্দ্র মোদি ঢাকায় পাঠিয়েছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে। গত ডিসেম্বরে তিনি এসে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেন এবং প্রায় আধা-ঘণ্টা বৈঠক করেন। ওই সময় তিনি নয়াদিল্লি থেকে পাঠানো শোকবার্তাও তুলে দেন খালেদা জিয়ার ছেলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে।

ঢাকায় কয়েক ঘণ্টার সফর তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ রেখেছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেননি। এরপর ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি যোগ দেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় টানাপোড়েনে আটকে পড়া সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ইচ্ছার আরেকটি ইঙ্গিত হিসেবে এটিকে দেখা হয় ভাবছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকদের অভিমত, ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে একটি ‘ফাংশনাল’ বা কার্যকরী সম্পর্ক বজায় রাখা বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত জরুরি। দিল্লির জন্য বাংলাদেশ যেমন তার পূর্বদিকের নিরাপত্তার চাবিকাঠি, ঢাকার জন্য ভারত তেমনি একটি বড় অর্থনৈতিক বাজার ও সরবরাহ চেইন। ফলে আদর্শিক ভিন্নতা থাকলেও বাস্তববাদী কূটনীতিই এখন দুই দেশকে কাছাকাছি আনছে। ঢাকা ও দিল্লির কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক বক্তব্য ও অবস্থান এটিই ইঙ্গিত দেয় যে, পুরনো তিক্ততা পেছনে ফেলে তারা এখন নতুন করে সম্পর্কের সেতু নির্মাণের দিকেই হাঁটছে।

সূত্রে জানা গেছে, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে সাক্ষাৎ দিয়েছেন। যার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লি সফরের কথা রয়েছে।  ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, আগামী ৭ এপ্রিল দিল্লি সফরে যাবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। পরদিন ৮ এপ্রিল ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।  

গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়ন এবং জ্বালানি আমদানি বিষয়টি প্রাধান্য পাচ্ছে ঢাকা- দিল্লির বৈঠকে। চলতি বছর শেষ হচ্ছে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ। ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত তিন দশক মেয়াদি এই চুক্তি নবায়নের বিষয়টি এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ইরান সংকট ও হরমুজ প্রণালী নিয়ে কিছুটা হলেও বিপাকে ঢাকা। সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় অতিরিক্ত জ্বালানি, বিশেষ করে দিল্লির কাছে ডিজেল চাওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ছাড়িয়েছে ব্যারেল প্রতি ১১০ মার্কিন ডলার। এ লক্ষ্যে ভারতের জ্বালানিমন্ত্রী হরদ্বীপ পুরির সঙ্গে ড. খলিলের বৈঠক হতে পারে। যদিও বাংলাদেশসহ প্রতিবেশীদের অতিরিক্ত জ্বালানি চাহিদা বিবেচনায় নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ভারতীয় কর্মকর্তারা। এ ক্ষেত্রে ভারতের নিজস্ব জ্বালানি চাহিদা, মজুত এবং উৎপাদন সক্ষমতার বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাবে।

ভারতীয় সূত্রগুলো বলছে, আগামী ৮ এপ্রিল ড. খলিলের সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং বাণিজ্যমন্ত্রী পীযুষ গোয়েল বৈঠকে বসবেন। সফর শেষে ড. খলিল মরিশাসে অনুষ্ঠিতব্য যোগ দেবেন ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে।

হিন্দুস্তান টাইমস উল্লেখ করেছে, গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের লক্ষ্যে দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যে পানিপ্রবাহ ও প্রযুক্তিগত বিষয় নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। অবশ্য এ ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সম্মতিও গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই সফরে ভারতের কাছে জাতিসংঘের ভোট ইস্যুতে সমর্থন চাওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার হিসেবে গুরুত্ব পাবে। চলমান বৈশ্বিক সংকটে জ্বালানি ইস্যুও এই সফরে গুরুত্ব পাবে। এ ছাড়া আসন্ন সফরে দুপক্ষের আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করা, নিরাপত্তা, সীমান্ত হত্যা, ভিসাসংক্রান্ত সমস্যা, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, সার্ককে (দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা) পুনরুজ্জীবিত করা, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু গুরুত্ব পাবে।

এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওরা ভিসা স্বাভাবিকীকরণ করবে। আমি মনে করি দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা, বাণিজ্য, জনগণ থেকে জনগণের সম্পর্ক, এমনকি মেডিকেল ভিসা স্বাভাবিক করার জন্য ভিসা সহজীকরণ মানে আগের জায়গায় ফিরে যাওয়া উচিত। তারা নিশ্চয়ই এটা করবে, আমাদের তারা বলেছেও। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সরকার এখন বাংলাদেশে ক্ষমতায় এসেছে। নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারাই বলেছে, নতুন করে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে তারা  সম্পর্ক রাখতে চায়।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এক বার্তায় জানান, বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। যেখানে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে।

ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা এক বার্তায় বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কটি জনগণের সঙ্গে জনগণের বন্ধনের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত এবং পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিক কল্যাণের ভিত্তিতে সব ক্ষেত্রে জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে ভারত প্রস্তুত রয়েছে।

ঢাকায় অবস্থিত ভারতের হাইকমিশন জানিয়েছে, হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা গত ২১ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঈদের উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা গত মার্চ ১১ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী, ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং এই দুই দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিবিষয়ক সহযোগিতা সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে মতবিনিময় করেন। এই সময়ে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতও উপস্থিত ছিলেন। ভারতের হাইকমিশনার গত ২৪ মার্চ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় মন্ত্রণালয়ের অন্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাবৃন্দের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতও উপস্থিত ছিলেন।  হাইকমিশনার গত ১৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর (অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়)-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। হাইকমিশনার গত ৯ মার্চ সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

হাইকমিশনার গত ৮ মার্চ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা গত ৩ মার্চ স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক মন্ত্রী, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। হাইকমিশনার গত ২ মার্চ বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই সময়ে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমও উপস্থিত ছিলেন।

হাইকমিশনার ১ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করেন। হাইকমিশনার গত ২২ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসব সাক্ষাতে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং শক্তিশালী করার বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী ভারত : শুক্রবার দিল্লিতে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়স্বাল বলেন,  বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে চায় ভারত।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে নয়াদিল্লি গুরুত্ব দিচ্ছে। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকারকে পাঠানো হয়েছিল এবং সে সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে একটি শুভেচ্ছা বার্তাও দেওয়া হয়।

জয়স্বাল জানান, ওই বার্তায় দুই দেশের সম্পর্ককে ভবিষ্যতে কীভাবে আরও গভীর ও বিস্তৃত করা যায়, সে বিষয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

 

 

 

ঢাকা-দিল্লি

শেয়ার করুন: