শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চা বাগানে প্রতি তিন নারীর একজন যৌন নির্যাতনের শিকার: গবেষণা প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৫, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
চা বাগানে প্রতি তিন নারীর একজন যৌন নির্যাতনের শিকার: গবেষণা প্রতিবেদন
চা বাগানে প্রতি তিন নারীর একজন যৌন নির্যাতনের শিকার: গবেষণা প্রতিবেদন

দেশের চা বাগানে কর্মরত নারী শ্রমিকদের মধ্যে ৩৪ দশমিক ৮ শতাংশ কর্মক্ষেত্রে যৌন নির্যাতনের শিকার হন বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) ঢাকার গুলশানে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। গবেষণাটি পরিচালনা করেছে ইনোভেটিভ রিসার্চ অ্যান্ড কনসালট্যান্সি (আইআরসি), যা 'ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স' সংগঠনের আওতায় এবং অক্সফাম ইন বাংলাদেশের সহযোগিতায় সিলেট বিভাগের ১১টি উপজেলায় সম্পন্ন হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, নারী শ্রমিকদের মধ্যে ৩০ শতাংশ মৌখিক নির্যাতনের এবং ১৪ শতাংশ শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। এছাড়া, কর্মক্ষেত্রকে ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ নারী নিরাপদ মনে করেন না। সহিংসতা, মালিকের হুমকি, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, এমনকি চুরি ও অন্যান্য কারণে অনিরাপদ মনে করেন অনেকেই। অংশগ্রহণকারী নারীদের মধ্যে ৯৫ দশমিক ৭ শতাংশ অশ্লীল ভাষা ও অঙ্গভঙ্গির শিকার হয়েছেন, ৩০ দশমিক ৪ শতাংশ অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ ও ২৬ দশমিক ১ শতাংশ যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে জানান।

প্রতিবেদনে কম মজুরি, বকেয়া, বাসস্থান সংকট, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের অভাবসহ বহু সমস্যার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধি, আইনি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন সুপারিশও করা হয়। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কেয়া খান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন প্রমুখ।

 

ভোরের আকাশ/হ.র

শেয়ার করুন: