শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী বছর হজের খরচ আরও কমবে: ধর্মমন্ত্রী

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৫৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আগামী বছর হজের খরচ আরও কমবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের ৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ধর্মমন্ত্রী ২০২৩ সালে হাজিদের কাছ থেকে বিমান ভাড়া বাবদ নেওয়া এক লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমানে যেখানে বিমান ভাড়া এক লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে ২০২৩ সালে এত বেশি ভাড়া নেওয়া অর্থ কোথায় গেছে, তা খতিয়ে দেখা উচিত।

৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৩ সালে বিমান ভাড়া ছিল এক লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা। আর ২০২৭ সালে তা কমিয়ে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অতীতে নেওয়া অতিরিক্ত অর্থের হিসাব ও ব্যবহার তদন্ত হওয়া উচিত।

আরও পড়ুন

সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দেশের সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করছে: রিজভী

২০২৬ সালের হজ সুন্দর ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে দাবি করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে খাতভিত্তিক ব্যয় নির্ধারণের কারণেই উদ্বৃত্ত অর্থ হাজিদের ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়েছে। গত বছর শেষ ফ্লাইটের সময় এক দম্পতি ভিসা থাকা সত্ত্বেও টিকিট না পাওয়ায় সৌদি আরবে আটকে পড়েছিলেন। পরে সৌদি আরব থেকে যোগাযোগ করে তাদের টিকিটের ব্যবস্থা করে হজে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, হাজিদের কোনো ধরনের ভোগান্তি যাতে না হয়, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। আগামী বছর হজ ব্যবস্থাপনায় খরচ আরও কমানো এবং সেবার মান বাড়ানোর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

ভোরের আকাশ/এনএস

ধর্মমন্ত্রী

শেয়ার করুন: