শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বছরের সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল চাঁদ দেখা যাবে আজ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৫ নভেম্বর ২০২৫, ৯:৪৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

আজ আকাশে দেখা যাবে বছরের অন্যতম আকর্ষণীয় পূর্ণচন্দ্র— ‘বিভার মুন’ বা ‘বিভার সুপারমুন’ অর্থাৎ সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল চাঁদ।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৯ মিনিটে পূর্ণতা পাবে এ চাঁদ।

নভেম্বরের পূর্ণিমা ‘বিভার মুন’ নামে পরিচিত। নাসা জানায়, এটি ২০২৫ সালের দ্বিতীয় সুপারমুন, এর আগে অক্টোবর মাসে দেখা গিয়েছিল ‘হারভেস্ট সুপারমুন’।

সুপারমুন হিসেবে আজকের চাঁদ সাধারণের চেয়ে বড় ও উজ্জ্বল দেখা যাবে। কারণ, এটি পৃথিবীর তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকবে— প্রায় ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৮০ কিলোমিটার দূরত্বে।

আজ চাঁদ বিকেল ৫টা ৩১ মিনিটে উঠবে, ঠিক সূর্যাস্তের পরই পূর্ব আকাশে এর সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে। নাসার পরামর্শ অনুযায়ী, দূরবীন বা টেলিস্কোপ ব্যবহার করলে আরও পরিষ্কারভাবে দেখা যাবে।

আজকের পূর্ণচন্দ্রের সঙ্গে আকাশে আরও কয়েকটি নাক্ষত্রিক সৌন্দর্যও দেখা যাবে— যেমন প্লাইয়েডস এবং হাইডস নক্ষত্র ক্লাস্টার, ওরিয়ন নক্ষত্রপুঞ্জ এবং বৃহস্পতি গ্রহ (জুপিটার)।

‘বিভার মুন’ নামটির উৎপত্তি নেটিভ আমেরিকান ও ইউরোপীয় ঐতিহ্য থেকে। নভেম্বর মাসে বীবররা শীতের প্রস্তুতিতে বাঁধ মজবুত করত ও খাবার মজুত করত। তাই এই সময়ের পূর্ণিমা তাদের নামে পরিচিত হয়। কিছু সংস্কৃতিতে এটি ‘ফ্রস্ট মুন’, ‘ফ্রিজিং মুন’, বা ‘ট্রেডিং মুন’ নামেও পরিচিত।

আজ সন্ধ্যায় যদি আকাশ মেঘমুক্ত থাকে, তবে বাংলাদেশের যেকোনো স্থান থেকেই দেখা যাবে এই উজ্জ্বল ও পূর্ণ সৌন্দর্যের বিভার সুপারমুন।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

চাঁদতথ্য ও প্রযুক্তি

শেয়ার করুন: