শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি শরিয়তে মা-বাবা বা স্ত্রীর নামে কসম কাটার বিধান!

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৫, ২:১৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ইসলামি শরিয়তে মা-বাবা বা স্ত্রীর নামে কসম কাটার বিধান!
ইসলামি শরিয়তে মা-বাবা বা স্ত্রীর নামে কসম কাটার বিধান!

ইসলামে কসম শুধুমাত্র আল্লাহর নামে করার অনুমতি রয়েছে; অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তু ব্যবহার করা হারাম ও শিরকের অন্তর্ভুক্ত। প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন, অনেকে মা-বাবা, স্ত্রীর নাম বা রাজনৈতিক প্রতীক ব্যবহার করে কসম করেন, যা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও বলেন, নবীজি (সা.) শিক্ষা দিয়েছেন, কেউ যদি কসম করতে চায়, তবে তা শুধুমাত্র আল্লাহর নামে হতে হবে, নইলে চুপ থাকা উত্তম।

ইতিহাসের উদাহরণও এ বিষয়টি স্পষ্ট করে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, একবার একজন ব্যক্তি তার পিতার নামে কসম করছিলেন। নবীজি (সা.) তাকে সতর্ক করেছেন, “আল্লাহ ছাড়া কারো নামে কসম করা যাবে না।” (বোখারি : ৬১০৮)

এছাড়া সাঈদ ইবনে আবু উবায়দা (রহ.) বর্ণনা করেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর নামে কসম করবে, সে শিরক করেছে।” (আবু দাউদ : ৩২৫১)

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর নামে কসম করলে তা ইসলামে গণ্য হবে না। ফলে কসম ভঙ্গ করলেও কাফফারা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। তবে অনভিপ্রেতভাবে এ ধরনের কসম করলে তাওবা করা আবশ্যক।

কসমের কাফফারা:

  • ১০ জন দরিদ্রকে দুই বেলা খাওয়ানো বা এক জোড়া কাপড় দেওয়া।
  • যদি সম্ভব না হয়, তবে ৩ দিন ধারাবাহিক রোজা রাখতে হবে।

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “অর্থহীন কসমের জন্য দায়ী হবেন না; কিন্তু যেসব কসম দৃঢ়ভাবে করা হয়, সেগুলোর জন্য দায়ী হবেন।” (সুরা মায়িদা : ৮৯)

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: