শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সেহরি কী? সময় ও অর্থ

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

সেহরি বা সেহেরি বা সাহরী (আরবি: سحور, প্রতিবর্ণীকৃত: সুহুর, অনুবাদ 'ঊষার পূর্বের খাবার বা ভোরের আহার' ) হল রমযান মাসে অথবা যে কোন দিন সাওম পালনের উদ্দেশ্যে ফজরের নামাজ বা ঊষার পূর্বে বা ভোরের পূর্বে গ্রহণ করা খাবার। সেহেরি শব্দটি আরবি শব্দ সাহুর (سحور ) থেকে এসেছে।

রমজান মাসে প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলমানের ওপর রোজা রাখা ফরজ। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মুসলমানেরা রমজান মাসের দিনগুলোতে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী সহবাস ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকেন, কোরআন তিলাওয়াত ও ইবাদতে মগ্ন থাকেন, একে রোজা বলা হয়।

সেহরি কী?

রমজানের মূল ইবাদত রোজা রাখা। অর্থাৎ, সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী সহবাস ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকা। পুরো দিন পানাহার থেকে বিরত থাকার জন্য রাতের শেষ প্রহরে খাবার খান মুসলিমরা। এই খাবারকে সেহরি বলা হয়।

সেহরি মানে মূলত, শেষ রাতের খাবার। সেহরি  শব্দের অর্থ ভোরের খাবার। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সুবহে সাদিকের কাছাকাছি সময়ে যে পানাহার করা হয় ইসলামের পরিভাষায় তাকে সেহরি বলে।

রোজা রাখার নিয়তে সেহরি খাওয়া সুন্নত। সেহরি অত্যন্ত বরকতময় খাবার। হাদিস শরিফে সেহরি খাওয়ার অনেক ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও, কারণ সেহরিতে বরকত আছে।’ (বুখারি, হাদিস : ১৯২৩)

রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আহলে কিতাব তথা ইহুদি-খ্রিস্টান আর মুসলমানদের রোজার মধ্যে শুধু সেহরি খাওয়াই পার্থক্য। অর্থাৎ তারা সেহরি খায় না আর আমরা সেহরি খাই।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৮৪৩; তিরমিজি, হাদিস : ৬৪২)

সেহরির সময়

সেহরি দেরিতে অর্থাৎ, সময় শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে খাওয়া উত্তম ও সুন্নত। রাসুল (সা.) সবসময় শেষ সময়ে সেহরি খেতেন। 
ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বক্ষণে সেহরি খেলে রোজা রাখা সহজ হয়। পাশাপাশি ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় না।

রাতের প্রথম প্রহরে বেশি পরিমাণে খাবার খাওয়ার কারণে সেহরি খাওয়ার চাহিনা থাকলে অথবা শেষ রাতে পেটে ক্ষুধা না থাকলে সেহরির সময় দুই, একটি খেজুর বা অন্য কোনো জিনিস খেয়ে নেওয়া উত্তম। এছাড়াও ভারি খাবার না খেয়ে চা, পানি, পান ইত্যাদি খেলেও তা সেহরির খাবার হিসেবে গণ্য হবে।

ভোরের আকাশ/তা.কা

 

 

রমজান মাসরমজানসেহেরিরোজা

শেয়ার করুন: