শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিয়েতে সহায়তা: একটি মহৎ ও সওয়াবপূর্ণ কাজ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৯ জুলাই ২০২৫, ৬:২০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বিয়েতে সহায়তা: একটি মহৎ ও সওয়াবপূর্ণ কাজ
বিয়েতে সহায়তা: একটি মহৎ ও সওয়াবপূর্ণ কাজ

বিয়ে ইসলাম ধর্মে একটি অত্যন্ত সম্মানিত ও পবিত্র ইবাদত। এটি শুধু দুটি মানুষের বৈধ সম্পর্ক স্থাপনই নয়, বরং একটি পরিবার ও সমাজ গঠনের ভিত্তি। তাই যে কেউ যদি কারও বিয়েতে সাহায্য করে—বিশেষত দরিদ্র বা অসহায় কোনো পাত্র-পাত্রীর—তাহলে সে একটি মহান সওয়াবের কাজে শরিক হয়। কোরআন ও হাদিসে বিয়েতে সহায়তার গুরুত্ব ও ফজিলত বারবার তুলে ধরা হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত রয়েছে, তাদের বিবাহ সম্পন্ন করো এবং দাস-দাসীদের মধ্য থেকে যারা উপযুক্ত, তাদেরও। তারা যদি গরিব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের অভাব দূর করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রাচুর্যময় ও সর্বজ্ঞ।’ (সুরা আন-নূর, আয়াত ৩২)

এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, সমাজে বিয়ের পরিবেশ গড়ে তোলা এবং গরিবদের বিয়েতে সহায়তা করা একটি ধর্মীয় দায়িত্ব। যে কেউ আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে এই কাজে এগিয়ে আসে, আল্লাহ তার সহায় হয় এবং তাদের জীবনের রিজিকের দরজা খুলে দেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তিন শ্রেণির লোকের সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব। তাদের একজন হলো সে ব্যক্তি, যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিয়ে করে।’ (তিরমিজি, হাদিস ১৬৫৫)

অর্থাৎ, যারা বিয়ের মতো পবিত্র কাজকে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে করে এবং যারা এ কাজে সহায়তা করে, তারা আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহের আওতায় পড়ে।

আরেক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যার বিয়ের সামর্থ্য আছে, সে যেন বিয়ে করে। কারণ এটি চোখকে নিচু রাখে এবং যৌন অঙ্গের হেফাজত করে।’ (সহিহ বুখারি: ৫০৬৫; সহিহ মুসলিম: ১৪০০)

এটি প্রমাণ করে, বিয়েতে সহায়তা করা মানে সমাজে পবিত্রতা রক্ষা করা এবং অনৈতিকতা প্রতিরোধ করা।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়ার কষ্ট দূর করে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার কষ্ট দূর করবেন।’ (সহিহ মুসলিম: ২৬৯৯) কোনো অসহায় যুবক-যুবতীর বিয়েতে সাহায্য করা তার জীবনের এক বড় কষ্ট দূর করার মাধ্যম, যা আল্লাহর পক্ষ থেকে অনুগ্রহ লাভের দরজা খুলে দেয়।

সার্বিকভাবে ইসলাম বিয়েকে কেবল সামাজিক রীতিনীতি নয়, বরং একটি ইবাদতের স্থান দিয়েছে—যার মাধ্যমে সমাজ শুদ্ধ থাকে, পাপ থেকে বাঁচা যায় এবং সুস্থ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে ওঠে। যারা আন্তরিকভাবে অন্যের বিয়েতে, বিশেষ করে দরিদ্রদের, সহযোগিতা করে, তারা একটি সওয়াবের ধারায় অংশ নেয়, যা তাদের জন্য সদাকায়ে জারিয়া হয়ে যেতে পারে।

আজকের সমাজে যখন অনেক তরুণ-তরুণী অর্থসংকট কিংবা সামাজিক বাধার কারণে বিবাহে দেরি করে, তখন সমাজের সামর্থ্যবানদের উচিত এগিয়ে আসা। এটি শুধু সাহায্য নয়, বরং এক অপার নেকি অর্জনের সুযোগ।

 

ভোরের আকাশ/হ.র

বিয়ে

শেয়ার করুন: