শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মসজিদুল আকসায় এশা ও তারাবি নামাজ বন্ধ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১ মার্চ ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

অধিকৃত জেরুজালেম–এর মসজিদুল আকসায় শনিবার রাতে এশা ও তারাবি নামাজ আদায় করতে বাধা দিয়েছে ইসরায়েলি পুলিশ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর ঘোষিত জরুরি অবস্থার অজুহাতে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

ইসলামী ওয়াক্ফ বিভাগের সূত্র জানিয়েছে, শুধুমাত্র মসজিদের ইমাম শায়খ ইউসুফ আবু আসনাইনা, পরিচালক শায়খ ওমর আল-কিসওয়ানি এবং অল্প কয়েকজন ওয়াক্ফ কর্মী এশার নামাজ আদায় করতে পেরেছেন। সাধারণ মুসল্লিদের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জেরুজালেম গভর্নরেট জানায়, চলতি রমজানের শুরু থেকে তারাবিতে ৩৫ হাজার থেকে এক লাখ পর্যন্ত মুসল্লি অংশ নিয়েছেন। কিন্তু শনিবার জরুরি অবস্থা ঘোষণার অজুহাতে এশা ও তারাবিসহ সব নামাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এদিকে ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, তথাকথিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে হোম ফ্রন্ট কমান্ড রমজানজুড়ে আল-আকসা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর ইসরায়েলি হোম ফ্রন্ট কমান্ড দেশজুড়ে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম থেকে শুধু প্রয়োজনীয় কার্যক্রমে সীমিত থাকার নির্দেশ দেয়। শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত, জনসমাগম নিষিদ্ধ এবং জরুরি খাত ছাড়া কর্মস্থলে যাওয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এই নির্দেশনা আল-আকসা মসজিদেও কার্যকর করা হয়, যদিও মসজিদটির প্রশাসন জর্ডানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ওয়াক্ফ বিভাগের হাতে।

শনিবার জোহরের আজানের আগে জেরুজালেমের বাসিন্দা ও ভেতরের ফিলিস্তিনি অঞ্চল থেকে আসা অনেক মুসল্লিকে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বের করে দেওয়া হয়। এমনকি ওয়াক্ফ কর্মীদেরও সরে যেতে বাধ্য করা হয়। শুধু আল-আকসার প্রহরীদের দায়িত্বে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। পরে দখলদার পুলিশের নির্দেশে মসজিদের ফটকগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

রমজানের ১১তম দিনে এশা ও তারাবিে মুসল্লিশূন্য আল-আকসার দৃশ্য অনেকের মনে ২০২০ সালের রমজানের কথা ফিরিয়ে এনেছে, যখন করোনাভাইরাস মহামারির সময় মসজিদের দরজা বন্ধ রাখা হয়েছিল।

জেরুজালেমবিষয়ক গবেষক জিয়াদ ইভহাইস সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, রমজানে আল-আকসা বন্ধ করা একে এককভাবে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চূড়ান্ত পদক্ষেপ এবং মসজিদটির ওপর কথিত ইসরায়েলি সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা। তিনি বলেন, এই পদক্ষেপকে চুপচাপ মেনে নেওয়া উচিত নয় এবং সম্ভাব্য সব উপায়ে এর মোকাবিলা করতে হবে।

উল্লেখ্য, আল-আকসা মসজিদ মুসলমানদের প্রথম কিবলা এবং ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে বিবেচিত। রমজান মাসে এখানে মুসল্লিদের ঢল নামে। এবার সেই ধারাবাহিকতায় হঠাৎ নিষেধাজ্ঞা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

ভোরের আকাশ/এনএস

জেরুজালেমআল আকসা

শেয়ার করুন: