শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কেন মায়ের মর্যাদা ইসলামে এত বেশি?

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৪ জুন ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামে মা-বাবার মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। বিশেষ করে মায়ের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও সদাচরণের ওপর ইসলাম বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে বারবার মায়ের প্রতি দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মায়ের সেবাযত্ন ও সম্মান প্রদর্শনকারী সন্তানদের জন্য সুসংবাদও দিয়েছেন।

ইসলামী শিক্ষায় মায়ের মর্যাদা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, একজন সাহাবি মহানবী (সা.)-এর কাছে জানতে চেয়েছিলেন—তার উত্তম আচরণের সবচেয়ে বেশি হকদার কে? জবাবে নবীজি (সা.) তিনবার ‘তোমার মা’ এবং চতুর্থবার ‘তোমার বাবা’ বলেছেন। এ হাদিস থেকে ইসলামে মায়ের বিশেষ মর্যাদা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ধর্মীয় গবেষকদের মতে, একজন মা সন্তানকে গর্ভধারণ, জন্মদান এবং লালন-পালনের ক্ষেত্রে যে ত্যাগ স্বীকার করেন, তার স্বীকৃতিস্বরূপ ইসলাম মায়ের প্রতি বিশেষ সম্মান প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে। পবিত্র কুরআনেও মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করতে এবং তাদের প্রতি বিনয়ী আচরণ করতে বলা হয়েছে।

হাদিসে বর্ণিত আছে, মায়ের সন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহর সন্তুষ্টি নিহিত রয়েছে। যে সন্তান মায়ের খেদমত করে, তার প্রয়োজন পূরণে সচেষ্ট থাকে এবং সম্মানের সঙ্গে আচরণ করে, সে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সৌভাগ্য অর্জন করে। অন্যদিকে মায়ের অবাধ্যতা ও কষ্ট দেওয়া গুরুতর গুনাহ হিসেবে বিবেচিত।

ইসলামী চিন্তাবিদরা বলেন, বর্তমান ব্যস্ত জীবনে অনেক সময় সন্তানরা মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে। অথচ একটি ফোনকল, খোঁজখবর নেওয়া, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো কিংবা আন্তরিক আচরণও মা-বাবার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু জীবিত অবস্থায় নয়, মৃত্যুর পরও সন্তানের দোয়া, সদকা এবং সৎকর্মের মাধ্যমে মা-বাবা উপকৃত হন। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত মায়ের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করা এবং তার সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা।

আরও পড়ুন

কীভাবে বুঝবেন হিট স্ট্রোক নাকি হার্ট অ্যাটাক?

ধর্মীয় বিশ্লেষকদের ভাষ্য, পরিবারে শান্তি, সমাজে মূল্যবোধ এবং আখিরাতের কল্যাণ অর্জনের অন্যতম মাধ্যম হলো মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। নবীজির শিক্ষা অনুসরণ করে মায়ের সেবা ও সম্মান নিশ্চিত করতে পারলেই ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ উপকৃত হবে।

মায়ের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা শুধু একটি নৈতিক দায়িত্ব নয়; বরং এটি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতও বটে। আর এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনকারীদের জন্য রয়েছে আল্লাহর রহমত ও নবীজির সুসংবাদ।

ভোরের আকাশ/জেআ

মায়ের মর্যাদাহাদিসকুরআনের নির্দেশনামা-বাবার সেবাইসলামী শিক্ষা

শেয়ার করুন: