শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অন্যের জীবন রক্ষাকারীর প্রশংসায় যা বলেছে কোরআন

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৫, ৮:৫০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
অন্যের জীবন রক্ষাকারীর প্রশংসায় যা বলেছে কোরআন
অন্যের জীবন রক্ষাকারীর প্রশংসায় যা বলেছে কোরআন

বর্তমান সময়ে খুন-হত্যা যেন এক ভয়াবহ ব্যাধিতে রূপ নিয়েছে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পেশী শক্তি দেখিয়ে হত্যা করা হচ্ছে নিরীহ মানুষকে। এমনকি স্বার্থের দ্বন্দ্বে অন্ধ হয়ে অনেকেই খুন করার জন্য ভাড়াটে খুনি নিয়োগ করছে, যা সমাজে এক ভয়ঙ্কর বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।

এই নিষ্ঠুর প্রবণতার বিপরীতে সমাজে কিছু মানুষ আছেন যারা অন্যের জীবন রক্ষা করতে নিজেকে বিলিয়ে দেন। তারা কারও রক্ত দেখে আনন্দ পান না, বরং কারও প্রাণ রক্ষা করাকে নিজের জীবন থেকেও বড় মনে করেন। এ ধরনের মানুষের প্রশংসা স্বয়ং আল্লাহ তায়ালাই করেছেন পবিত্র কোরআনে।

সুরা মায়েদার ৩২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “এই কারণেই আমি বনী ইসরাঈলের ওপর নির্দেশ দিয়েছি, যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করা কিংবা জমিনে ফাসাদ সৃষ্টি করা ছাড়া কাউকে হত্যা করে, সে যেন গোটা মানবজাতিকে হত্যা করল। আর যে একজন প্রাণ বাঁচাল, সে যেন গোটা মানবজাতির প্রাণ রক্ষা করল।” (সুরা মায়েদা, আয়াত ৩২)

তাফসিরকারকদের ব্যাখ্যায় জানা যায়, এ আয়াতে যে ‘প্রাণ রক্ষা’ বলা হয়েছে তা বোঝায়— কোনো নিরপরাধ মানুষকে হত্যা না করা, বরং তাকে নিরাপত্তা দেওয়া। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, “আল্লাহ যাদের হত্যা করা হারাম করেছেন, সেই ধরনের মানুষকে হত্যা না করাই জীবনের নিরাপত্তা দেওয়া। এতে পুরো মানবজাতির জন্য বাঁচার সুযোগ তৈরি হয়।” (তাবারী)

শুধু কোরআনেই নয়, হাদিসেও রয়েছে এমন মহৎ কাজের অসাধারণ মর্যাদা।
হজরত সাঈদ ইবনে জায়দ (রা.) থেকে বর্ণিত—
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, “যে ব্যক্তি নিজের মাল রক্ষায় যুদ্ধ করে মারা যায়, সে শহীদ। যে পরিবার রক্ষা করতে গিয়ে মারা যায়, সেও শহীদ। যে তার দ্বিন রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয়, সেও শহীদ। আর যে নিজ প্রাণ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয়, সেও শহীদ।” (নাসায়ি, হাদিস : ৪০৯৫)

এই আয়াত ও হাদিসের আলোকে স্পষ্ট, যারা অন্যায় থেকে বিরত থাকে এবং অন্যের জীবন রক্ষায় এগিয়ে আসে, তারা শুধু একজন মানুষের নয়, বরং পুরো মানবতার রক্ষক হিসেবে গণ্য হন।

বর্তমান সমাজে এমন সহানুভূতিশীল ও মানবিক মানুষ দরকার, যারা অন্যের প্রাণ রক্ষায় সচেষ্ট থাকবে—কারণ এক প্রাণ রক্ষা মানেই যেন পুরো মানবজাতির রক্ষা।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: