শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হজের ফরজ, ওয়াজিব কয়টি ও কী কী?

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজ প্রেমময় ইবাদত। মহান আল্লাহ হজ ফরজ করেছেন সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের ওপর। মহান আল্লাহ বলেন, ‘প্রত্যেক সামর্থ্যবান মানুষের ওপর আল্লাহর জন্য বায়তুল্লাহর হজ করা ফরজ।’ (সুরা আলে ইমরান: ৯৭)

ইসলামে হজের গুরুত্ব অপরিসীম। হজরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলো, সর্বাধিক উত্তম আমল কোনটি? তিনি বললেন,

আল্লাহ ও তার রসুলের উপর ঈমান আনা। আবার জিজ্ঞেস করা হলো, এরপর কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করা। আবার জিজ্ঞেস করা হলো, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, হজে মাবরুর বা মকবুল হজ আদায় করা। (বুখারি ১৪২৯)

হজের ফরজ

আরও পড়ুন

পিরোজপুরে ১৩ মন রেণু জব্দ, ৭ জেলেকে কারাদণ্ড

হজের ফরজ তিনটি: ১. ইহরাম বাঁধা। ২. উকুফে আরাফা (৯ জিলহজ জোহর থেকে ১০ জিলহজ ফজরের আগপর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা)। ৩. তাওয়াফে জিয়ারা। (১০ জিলহজ ভোর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত যেকোনো সময় কাবাঘর তাওয়াফ করা।)

হজের ওয়াজিব

হজের ওয়াজিব ৭টি: ১. আরাফা থেকে মিনায় ফেরার পথে মুজদালিফা নামের স্থানে ১০ জিলহজ ভোর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কিছু সময় অবস্থান করা। ২. সাফা ও মারওয়া সায়ি করা বা দৌড়ানো। ৩. রমিয়ে জিমার বা ১০, ১১ ও ১২ জিলহজ জামারায় শয়তানকে পাথর মারা। ৪. তামাত্তু ও কিরান হজে দমে শোকর করা। ৫. মাথার চুল মুড়িয়ে বা কেটে ইহরাম সমাপ্ত করা। ৬. বিদায়ী তাওয়াফ করা ৭. মদিনা শরিফে গিয়ে নবী কারিম সা. এর রওজা জিয়াত করা।

ভোরের আকাশ/এনএস

হজের ফরজ

শেয়ার করুন: