শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কঠিন পরিস্থিতিতে উম্মতের জন্য রাসুল (সা.)-এর তিন দোয়া

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৫, ১:২৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
কঠিন পরিস্থিতিতে উম্মতের জন্য রাসুল (সা.)-এর তিন দোয়া
কঠিন পরিস্থিতিতে উম্মতের জন্য রাসুল (সা.)-এর তিন দোয়া

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা রাসুল (সা.)-কে পৃথিবীর সকল মানুষের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছেন। এ সম্পর্কে সুরা আম্বিয়ার ১০৭ নম্বর আয়াতে উল্লেখ রয়েছে— "আর আমি তো আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি।" (সুরা আম্বিয়া, আয়াত ১০৭)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও বলেছেন, "আমি তো আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত রহমত।" (মুস্তাদরাক হাকিম, ১/৯১) এবং "আমাকে অভিশাপকারী করে পাঠানো হয়নি, আমাকে রহমত হিসেবে পাঠানো হয়েছে।" (মুসলিম, হাদিস: ২৫৯৯)।

উম্মতের কল্যাণ ও নিরাপত্তার জন্য তিনি আল্লাহর কাছে তিনটি বিশেষ দোয়া করেছিলেন, যার মধ্যে দুইটি দোয়া কবুল হয়েছে, আর একটি দোয়া গ্রহণযোগ্য হয়নি।

হজরত সাদ ইবনে আবী ওয়াক্কাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, একবার রাসুল (সা.) বনী মুআবিয়ার মসজিদের পাশে দাঁড়িয়ে দু’ রাকাত নামাজ আদায় করেন এবং দীর্ঘ সময় দোয়া করেন। এরপর তিনি বলেন:

১. আমার উম্মত যেনো পানিতে ডুবিয়ে মারা না হয়, যেমন হয়েছে হজরত নূহের উম্মতের সঙ্গে— এই দোয়া আল্লাহ কবুল করেছেন।

২. আমার উম্মত যেনো দুর্ভিক্ষের কবল না হয়— এই দোয়াও আল্লাহ কবুল করেছেন।

৩. আমার উম্মত যেনো নিজেদের মধ্যে যুদ্ধবিগ্রহে লিপ্ত না হয়— এই দোয়া আল্লাহ কবুল করেননি। (বাগবী)

অন্য একটি বর্ণনায় হজরত আব্দুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আনসারী জানান, হজরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রা.) আমাদেরকে বলেছিলেন, রাসুল (সা.) এক মসজিদে বসে তিনটি বিষয়ে দোয়া করেছেন, যার দুইটি কবুল হয়েছে:

ইসলামের শত্রু যেনো আমার উম্মতের ওপর জয়লাভ করতে না পারে।
আমার উম্মত যেনো ব্যাপক দুর্ভিক্ষে পতিত না হয়।

তৃতীয় দোয়া ছিল, উম্মত যেনো গৃহযুদ্ধে লিপ্ত না হয়, যা কবুল হয়নি। (বুখারি)

এ দোয়ার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, রাসুল (সা.) সর্বদা উম্মতের শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করতেন, যদিও গৃহযুদ্ধের মতো ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়া তাঁদের জন্য কঠিন হয়েছিল।

সূত্র: বাগবী, বুখারি, মুসলিম

ভোরের আকাশ//হ.র 

শেয়ার করুন: