গোপনে দান করলে যে সওয়াব পাবেন

দান করা ইসলামি শিক্ষা অনুযায়ী অত্যন্ত পুণ্যবান কাজ। এতে ধন বৃদ্ধি পায়, দূর হয় দারিদ্র্য, রোগ-শোক ও অভাব। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, “তোমরা যা কিছু দান কর, তিনি তার জায়গায় অন্য কিছু দিয়ে দেন” (সুরা সাবা, আয়াত ৩৯)।
দান প্রকাশ্যে বা গোপনে করা যায়। তবে লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে দান নিষিদ্ধ। কোরআনে উল্লেখ আছে, “যদি প্রকাশ্যে দান করো, ভালো। আর যদি গোপনে দান করো এবং অভাবগ্রস্তকে দাও, তা তোমাদের জন্য আরও উত্তম” (সুরা বাকারা, ২৭১)।
হাদিসে বলা হয়েছে, কেয়ামতের দিনে যে ব্যক্তি গোপনে দান করেছে, আল্লাহ তাকে আরশের নিচে ছায়া দেবেন। অন্যদিকে, লোক দেখানোর জন্য দান করলে কঠিন শাস্তি হবে। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মানুষের কাছে দাতা হিসেবে পরিচিত হওয়ার জন্য দান করে, তার মুখের উপর টেনে-হেঁচড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে (তিরমিজি ২৩৮২)।
ইসলাম মানবতার কল্যাণে উৎসাহিত করে। সাহায্যের হাত বাড়ানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত। কোরআনে বলা হয়েছে, “যারা নিজের সম্পদ দিনে বা রাতে প্রকাশ্যে অথবা গোপনে আল্লাহর পথে খরচ করে, তাদের পুরস্কার প্রতিপালকের কাছে আছে; তাদের কোনো ভয় নেই, কোনো চিন্তাও নেই” (সুরা বাকারা, ২৭৪)।
রসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, যে ব্যক্তি বিধবা, গরিব ও অসহায়কে সাহায্য করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি খুঁজে পায়, তার সওয়াব নফল নামাজ ও রোজার সমান হবে (বুখারি)।
ভোরের আকাশ/হ.র