শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রথমবার সংসদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একক আসনে জয় পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

বরগুনা-১ (আমতলী-তালতলী) আসনে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন দলটির মনোনীত প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মোল্লাকে ৪ হাজার ১৭৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, অলি উল্লাহ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫১২ ভোট। অপর দিকে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩৬ ভোট। ‘হাতপাখা’ প্রতীকে নির্বাচন করা অলি উল্লাহর এই জয় ইসলামী আন্দোলনের জন্য ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে আসে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন। দলটি পৃথকভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেয়, একমাত্র বরগুনায় এই অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করে।

নবনির্বাচিত এ সংসদ সদস্য বলেন, বরগুনার জনগণ এখন আমার জিম্মাদার। তাদের দেওয়া দায়িত্ব একটি আমানত। কীভাবে তাদের মনোবাসনা পূরণ করব, কীভাবে এলাকার উন্নয়ন করবো-সে বিষয়টি নিয়েই আমি বেশি চিন্তিত।

তিনি বলেন, কেউ যদি ক্ষমতার চেয়ারে বসে সে যেন আগুনের চাদর গায় দিলো, কারণ আমি মনে করি জনগণ যদি কষ্ট পায় সে কষ্টটা আমার এবং আল্লাহ কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

ভোরের আকাশ/আ.র

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

শেয়ার করুন: