শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৩৫ বাংলাদেশিসহ ২৪৫ প্রবাসীকে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

মালয়েশিয়া ২৪৫ জন প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ বাংলাদেশিও রয়েছেন।

সোমবার (২ মার্চ) দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে ইমিগ্রেশন জোহর রাজ্য শাখার অধীনে পরিচালিত পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে বিভিন্ন দেশের ২৪৫ জন বন্দিকে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।

ফেরত পাঠানোদের মধ্যে রয়েছেন ৮২ জন মিয়ানমার, ৬৮ জন ইন্দোনেশিয়া, ৩৫ জন বাংলাদেশি, ২৬ জন পাকিস্তানি, ২৩ জন ভারতীয় নাগরিক। এছাড়া ২ জন করে নাইজেরিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের নাগরিক এবং নেপাল, সিরিয়া, ফিলিপাইন, কম্বোডিয়া ও কঙ্গোর একজন করে নাগরিক রয়েছেন।

সব বন্দিকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর টার্মিনাল ১ ও ২ (কেএলআইএ ১ ও ২) এবং স্টুলাং লাউত ফেরি টার্মিনালের মাধ্যমে নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাই বৈধ পাসপোর্টধারী ছিলেন। যাদের পাসপোর্ট ছিল না, তাদের নিজ নিজ দূতাবাসের মাধ্যমে অস্থায়ী ভ্রমণ নথি বা ‘ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ ইস্যু করা হয়।

প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব ব্যক্তিকে বিভাগের সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তারা আর কোনো উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাজা সম্পন্ন করার পরও যেন কোনো বন্দি দেশে অবৈধভাবে অবস্থান করতে না পারে, সে লক্ষ্যেই নিয়মিতভাবে এই প্রত্যাবর্তন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এটি পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোর প্রধান কার্যক্রমগুলোর একটি।

ভোরের আকাশ/আ.র

মালয়েশিয়া

শেয়ার করুন: