শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তথ্য সন্ত্রাস নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন

মাজাহারুল ইসলাম

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগায়োগ মাধ্যমে ফটোকার্ড নামে অপতথ্য ছড়িয়ে পড়েছে- যা জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই কোনো একটি বিশেষ চক্র অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির অপচেষ্টা করছে- এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকসহ রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশিষ্টজনরা।

তাদের ভাবনায়, ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অপতথ্য বা ডিসইনফরমেশনের দাপট, যা সঠিক তথ্যের চেয়ে বিভ্রান্তিকর অপতথ্যের গতি অনেক বেশি। সরকার পরিচালনা ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপতথ্য এক বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত প্রবাহে ভুয়া ফটোকার্ড নামে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় জনমনে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে- এমন পরিস্থিতিতে তথ্য সন্ত্রাসে সরকার উদ্বিগ্ন, এমনটাই বলছেন বিশিষ্টজনরা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গুজব ও পরিকল্পিত বিভ্রান্তি ছড়ানোর মাধ্যমে জনগণের মধ্যে কৃত্রিম ক্ষোভ তৈরি করা হচ্ছে, যা অনেক ক্ষেত্রে অনাকাক্সিক্ষত সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। এই পরিস্থিতিকে ‘দ্য সিজ অব ডিসইনফরমেশন’ বা অপতথ্যের অবরোধ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যেখানে সরকার তার স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় বাধার সম্মুখীন হচ্ছে বলে ধারণা করছেন বিশিষ্টজনরা।

ফটোকার্ডের দ্বারা ভুল এবং অপতথ্যের শিকার স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ভুল এবং অপতথ্যের বিরুদ্ধে সরকার শক্ত অবস্থানে যাবে সরকার। অপতথ্য দিয়ে গণমাধ্যমের বানানো কোনো ফটোকার্ড মেনে নেওয়া (অ্যালাউ) হবে না। 

গতকাল মঙ্গলবার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, ‘একটা ছোট ঘটনা আছে, এটা গত সপ্তাহেও ব্রিফিং করেছিলাম। আমি আবারো একটু বলি, প্লিজ আপনাদের কাছে অনুরোধ। আমরা এগুলো নিয়ে আসলে আস্তে আস্তে আইনি ব্যবস্থার দিকেও যাবো।

গত যে ব্রিফিং ছিল সেখানে রিপিট করে পড়ে বলেছিলাম- কর্মসূচিভুক্ত খালের সংখ্যা এক হাজার ২৬০ কিলোমিটার, খননকৃত খালের প্রাপ্ত দৈর্ঘ্য ৫৬১ কিলোমিটার, শতকরা অগ্রগতির হার ৪৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এটা যে আমাদের কর্মসূচির খালের প্রায় অর্ধেক; একটা ফটোকার্ড তৈরি হলো, আমি নাকি বলেছি সারা দেশের অর্ধেক খাল খনন করা হয়ে গেছে। এটা নামগোত্রহীন কেউ না, পরিচিত জাতীয় দৈনিকের ফটোকার্ড।

তিনি বলেন, ‘ফ্যাক্ট-চেকাররা এটাকে ডিবঙ্ক (সত্য তথ্য তুলে ধরা) করেছেন, এটা যে ডিসইনফরমেশন সেটা করেছেন। কিন্তু এগুলো করছি আমরা। একটা কথা খুব ইম্পর্ট্যান্ট, উই মাস্ট বি সিরিয়াস অ্যাবাউট দ্যাট, মিসইনফরমেশন এবং ডিসইনফরমেশন এ সরকার টলারেট করবে না। কারও দিক থেকেই করবে না। এটা একজন ব্যক্তি করার আর একটা প্রতিষ্ঠান করার মধ্যে সিরিয়াস পার্থক্য আছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, একটু ব্যক্তিগত কথা বলেই ফেলি, মানে আমি খুব স্টুপিড মানুষ না। আমার প্রচুর পরিচিত মানুষজনের কাছ থেকেই কার্ড পাঠিয়ে আমার কাছে জানতে চাওয়া হচ্ছে। ইভেন এমন সব কথাবার্তা আসছে সেগুলো সরিয়ে রাখি; যেগুলো ফেক ব্যক্তি করছেন, ফটোকার্ড বানিয়ে বলছেন, আমি নাকি বলছি জনগণের কল্যাণের জন্য জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে..., আমি এগুলো এভাবে বলিনি। কিন্তু এই যে কথাটাকে ডিস্টর্ট (বিকৃত করা) করা হলো, আমাকে অনেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাস করছেন যে আমি কি বলেছি কি না।’

তিনি বলেন, আমরা এটা নিয়ে শক্ত অবস্থানে যাবো। আমরা অপতথ্য (ডিসইনফরমেশন) দিয়ে করা ফটোকার্ড অ্যালাউ করবো না।

জাহেদ উর রহমান বলেন, আমি চাই মিডিয়ায় আরও বেশি সরকারের সমালোচনা, যৌক্তিক সমালোচনায় ভাইব্রেন্ট হয়ে উঠুক। আমি জানি না কবে কোনো সরকার থেকে কেউ এ ধরনের কথা বলেছে। কিন্তু প্লিজ মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন না।

ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও অপপ্রচার শিকার হয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বাংলাফ্যাক্ট জানায়, ‘রাস্তায় চাঁদাবাজির ভিডিও ধারণ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করলে সাইবার আইনে হবে দ্রুত বিচার’-ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এমন মন্তব্য করেছেন দাবি করে সামাজিক মাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়ানো হচ্ছে। 

তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী এমন কোনো মন্তব্য করেননি। তার ভিন্ন একটি মন্তব্যকে বিকৃত করে প্রচার করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, গত ২১ এপ্রিল সংসদে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের বক্তব্যের নামে ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ডটি ভুয়া বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ফটোকার্ডে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের বক্তব্যের নামে পুরোপুরি অসত্য তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

ফটোকার্ডে বলা হয়েছে, ইন্ডিয়ার সাথে আমাদের চোখ নিচু করেই কথা বলতে হবে, এই যে যেমন এখন ইন্ডিয়ার হাতে পায়ে ধরে তেল আনতে হচ্ছে, গাধার মতো দিল্লি না ঢাকা স্লোগান দিলেই তো হবে না, বুঝতে হবে যে ইন্ডিয়ার সাথে ঝামেলা করলে আমাদের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ে যাবে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো কয়েকটি ভুয়া ফটোকার্ড পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করে যে, এই বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে গুজব ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নামে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তিনি ভুয়া ফটোকার্ডে অপতথ্যের শিকার হয়েছেন। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।

বিশিষ্টজনরা বলছেন, ভুয়া ফটোকার্ড ও বিকৃত ছবি ছড়িয়ে সামাজিক অস্থিরতা তৈরির ঘটনা এখন অহরহ ঘটছে। ফলে সামাজিক উত্তেজনা, সহিংসতা বা মানহানি সৃষ্টিকারী কনটেন্ট মোকাবিলায় সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

আইনজ্ঞদের মতে, এআই-নির্মিত কনটেন্ট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ফটোকার্ড নিয়ে বাংলাদেশে কোনো নির্দিষ্ট আইন নেই। শুধু মানহানির মামলা করা যেতে পারে। ফলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়াও কঠিন। প্রযুক্তির ব্যবহার যেমন জীবনকে সহজ করে, তেমনি এর অপব্যবহারে দুর্বিষহও হয়ে ওঠে। তৈরি হয় ভুয়া ফটোকার্ডে নতুন ডিজিটাল সন্ত্রাসী কার্যক্রম।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য আইনি কাঠামো থাকা উচিত। বিশ্বের অনেক দেশেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সুস্পষ্ট আইন, নীতিমালা, নির্বাহী আদেশ ও কৌশলগত দিকনির্দেশনা থাকলেও বাংলাদেশে এখনো অপপ্রচার রোধে কোনো বিশেষ আইন নেই। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন ও ভারতসহ অনেক দেশই এ বিষয়ে নীতিমালার পথে এগিয়েছে। অপব্যবহার ঠেকাতেও নিয়েছে কার্যকর ব্যবস্থা। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো এআই ব্যবহারের জন্য নেই কোনো সমন্বিত আইন, গাইডলাইন, পলিসি বা স্ট্র্যাটেজি। ফলে প্রযুক্তির এই অগ্রযাত্রার মুখে দেশের প্রস্তুতি অপ্রতুল।

২০২৪ সালের খসড়া ‘ন্যাশনাল এআই পলিসি’ এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। খসড়ায় সরকারি সেবা, বিচারব্যবস্থা, শিক্ষা, কৃষি ও ডেটা গভর্ন্যান্সকে প্রাধান্য দেওয়া হলেও নীতির আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক তাহমিনা আক্তার বলেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভুয়া ফটোকার্ড, ট্রল, অতিরঞ্জিত কনটেন্ট ও প্রযুক্তির অপব্যবহার আমাদের সমাজে এক ধরনের অসুস্থতার লক্ষণ। বিশেষ করে নারীদের লক্ষ্য করে এ ধরনের অপপ্রচার বেশি হচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। তবে পুরুষরাও এর বাইরে নয়। তিনি মনে করেন, এই সমস্যা মোকাবিলায় আইনের প্রয়োগ যেমন দরকার, তেমনি সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা বলেন, ভুয়া ফটোকার্ড ও বিকৃত ছবি ছড়িয়ে সামাজিক অস্থিরতা তৈরির ঘটনা এখন অহরহ ঘটছে। তবে ছবি বা ফটোকার্ড প্রথম কে সামাজিকমাধ্যমে আপলোড করেছে, তা শনাক্ত করা প্রযুক্তিগতভাবে সম্ভব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চাইলে সাইবার পেট্রোলিং, ডিজিটাল ফরেনসিক ও প্ল্যাটফর্মভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে উৎস বের করতে পারে। বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট পেজ বা পোস্টের সুনির্দিষ্ট লিংক সংরক্ষণ করা গেলে প্রশাসনের পক্ষে অ্যাডমিন শনাক্ত করা কঠিন নয়।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশিদের ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ করেছে যুক্তরাজ্য

তিনি বলেন, দ্রুত তদন্ত, ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষা এবং বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এমন অপপ্রচার অনেকটাই কমে আসবে।

তিনি আরও বলেন, সামাজিক উত্তেজনা, সহিংসতা বা মানহানি সৃষ্টিকারী কনটেন্ট মোকাবিলায় বিদ্যমান আইনেও ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে, তবে তা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোও জরুরি।

ভোরের আকাশ/নি

তথ্য সন্ত্রাস

শেয়ার করুন: