শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সৌন্দর্য বদল গুঞ্জনে জবাব দিলেন কেয়া পায়েল

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েলকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার শারীরিক পরিবর্তন ও প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। নেটিজেনদের একাংশের দাবি, সৌন্দর্য বাড়াতে তিনি চিকিৎসকের সাহায্য নিয়েছেন। এ নিয়েই অবশেষে মুখ খুললেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সার্জারি প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে কেয়া পায়েল বলেন, তিনি জন্মগতভাবেই সুন্দর এবং ছোটবেলা থেকেই নিজের সৌন্দর্য নিয়ে প্রশংসা পেয়ে বড় হয়েছেন। তবে নিজের একটি বিউটি স্যালন থাকায় সৌন্দর্য নিয়ে আরও কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয় তার। সেই আগ্রহ থেকেই তিনি চেহারায় সামান্য পরিবর্তন আনেন বলে জানান।

তিনি বলেন, “আমার কখনো এমন উদ্দেশ্য ছিল না যে অতিরিক্ত কিছু করে সৌন্দর্য বাড়াতে হবে। আমি যেমন আছি তেমনই খুশি। তবে টুকটাক দুই-একটা জিনিস একটু অ্যাড করেছি। আর তাতেই অনেকেই এমনভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, যেন আমি বড় কোনো ভুল করেছি। তাদের এসব দেখে আমি মনে মনে বলেছি—ভাই মাফ চাই, আর হবে না।”

বিদেশি তারকারা একই ধরনের পরিবর্তন করলে তা “গ্রুমিং” হিসেবে দেখা হলেও দেশের তারকাদের ক্ষেত্রে ট্রল করা হয় কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে কেয়া পায়েল দেশের মানুষের মানসিকতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, “আমাদের দেশের মানুষ একটু অতি আবেগী। একজন কিছু বললেই সবাই না জেনে মন্তব্য শুরু করে দেয়। এমনকি আমার পাঁচ বছর আগের ছবিতেও এখন এসে কমেন্ট করে। এই হুজুগে মানসিকতা আমাদের মধ্যে অনেক দিন ধরেই আছে।”

রাস্তায় অকারণে ভিড় জমানোর উদাহরণ টেনে তিনি আরও বলেন, “কোনো ঘটনা ছাড়াই শুধু ভিড় দেখে মানুষ জড়ো হয়। কী হচ্ছে না জেনেই দাঁড়িয়ে থাকে। এই মানসিকতা আসলে দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হয়েছে।”

ভোরের আকাশ/সু.পা

কেয়া পায়েল

শেয়ার করুন: