শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

“পুরুষদের অপছন্দ করি না, অপছন্দ করি পুরুষতন্ত্রকে”— বাঁধন

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৫, ১২:২০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
“পুরুষদের অপছন্দ করি না, অপছন্দ করি পুরুষতন্ত্রকে”— বাঁধন
“পুরুষদের অপছন্দ করি না, অপছন্দ করি পুরুষতন্ত্রকে”— বাঁধন

ছোট পর্দার অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন খোলামেলা ও সাহসী বক্তব্যের জন্য প্রায়শই আলোচিত থাকেন। এবার তিনি সামাজিক মাধ্যমে পুরুষতান্ত্রিকতা নিয়ে নিজের ভাবনা শেয়ার করেছেন।

ফেসবুকে পোস্টে বাঁধন লিখেছেন: “আমাকে নিয়ে প্রায়ই এক বড় ভুল বোঝাবুঝি হয়—অনেকে মনে করেন আমি পুরুষদের অপছন্দ করি। এটি সত্য নয়। আমি যা অপছন্দ করি, তা হলো আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজ এবং সেই সমাজকে টিকিয়ে রাখা নারী-পুরুষ উভয়কেই। পুরুষ মানুষকে ঘৃণা না করলেও তিনি পুরুষতন্ত্রকে কখনোই মেনে নেন না।”

পোস্টে তিনি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু পুরুষের প্রভাবও তুলে ধরেছেন। প্রথমে উল্লেখ করেছেন তার বাবা এবং চলচ্চিত্র ‘রেহানা’-এর পরিচালক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ। বাঁধনের মতে, এই দুইজন তার ব্যক্তিত্ব ও শিল্পীজীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছেন।

নিজের দুই ভাইকেও বিশেষভাবে স্মরণ করেছেন তিনি। বাঁধন বলেছেন, দুই ভাইই জীবনের ভরসা, যদিও চিন্তায় পার্থক্য আছে। বিশেষ করে ছোট ভাই রাশাকে তিনি শুধু ভাই নয়, বরং সেরা বন্ধু হিসেবেও দেখেন। অন্য ভাইয়ের ক্ষেত্রেও তিনি উল্লেখ করেছেন, পরিবার না পারলেও ভাই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন।

উত্তরাধিকার নিয়ে দুই ভাইয়ের সমান অংশের ন্যায়িক সিদ্ধান্তকেও তিনি আলাদা করে স্মরণ করেছেন। বাঁধন লিখেছেন, “আমি পছন্দ করি না, যেন তারা আমাকে দিয়ে দিয়েছে—যেন সেটা তাদের ছিল, আমার নয়। তবে তারা ভালোবাসা ও ন্যায্যতার সঙ্গে সেটি সামলেছেন। আশা করি একদিন আমাদের আইন সবাইকে সমানভাবে উত্তরাধিকার নিশ্চিত করবে।”

তবে সব অভিজ্ঞতা ইতিবাচক ছিল না। কিছু পুরুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল অসম্মানজনক বা হিংস্র। তবে বাঁধন বলেন, তাদের কৃতকর্ম তার অঙ্গীকার ও শক্তিকে আরও দৃঢ় করেছে।

পোস্টের শেষ অংশে বাঁধন স্পষ্ট করেছেন তার অবস্থান: “আমি পুরুষদের অপছন্দ করি না। আমি অপছন্দ করি পুরুষতন্ত্রকে। আর হ্যাঁ, আমি পুরুষদের ভালোবাসি।”

ভোরের আকাশ/হ.র

আজমেরী হক বাঁধন

শেয়ার করুন: