শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পডকাস্টে জীবনের কঠিন অধ্যায়ের কথা জানালেন কাবিলা

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান সময়ের এক জনপ্রিয় অভিনেতা ও পরিচালক ‘কাবিলা’ খ্যাত জিয়াউল হক পলাশ।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে জীবনের কঠিন অধ্যায়ের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পলাশ বলেন, ২০০৯ সালে তাঁর এসএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ার খবর শুনে তাঁর মা ব্রেইন স্ট্রোক করেছিলেন এবং দীর্ঘ পাঁচ বছর প্যারালাইজড ছিলেন।  

মা দিবসে মায়ের প্রতি তাঁর এই সম্মাননা দর্শকদের বিশেষভাবে স্পর্শ করেছে। 

তবে, তার শিক্ষাজীবনের শুরুটা ছিল বেশ সফল। প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে মেধাতালিকায় তৃতীয় হয়ে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। এতে তার মা খুবই আনন্দিত হয়েছিলেন।

পরিচালক পলাশ বলেন, ‘আমার এই নিউজটা শুনে আমার আম্মা তখন ব্রেইন স্ট্রোক করছিলেন এবং প্রায় ৫ বছর প্যারালাইজড ছিলেন। আম্মার বাম হাত, বাম পা এবং জিহ্বা প্যারালাইজড ছিল। কথা বলতে পারতেন না। আম্মার সাথে লিখে লিখে আমার কথা বলতে হতো।’

ফিল্মমেকার হওয়ার স্বপ্ন প্রসঙ্গে এই অভিনেতা আরও বলেন, ‘আমি যখন ফিল্মমেকার হওয়ার স্বপ্ন দেখি, বাবা তখন বেশ শঙ্কায় ছিলেন। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে বাবা রেগে যেতেন। ঘর ছেড়ে যখন ছবিয়াল-এ কাজ শুরু করি, প্রতি শুক্রবার লুকিয়ে বাসায় আসতাম। মা তখন চুপিচুপি আমাকে কিছু টাকা হাতে ধরিয়ে দিতেন।’

মায়ের সংগ্রামের কথা বলতে গিয়ে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, ‘আমার মা মাধ্যমিকের গণ্ডিও পার হতে পারেননি। অথচ তিনি আমাদের দুই ভাই-বোনের পাশাপাশি চার মামা ও খালাকেও নিজেদের বাসায় রেখে মানুষের মতো মানুষ করেছেন।

ভোরের আকাশ/মেদ্র 

পরিচালকঅভিনেতা

শেয়ার করুন: