শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রণবীরের ঘরে যান না মা-নীতু

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৯ মে ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ছেলে-বৌমা ও নাতনির সঙ্গে এক বাড়িতে থাকেন নীতু। তবে ইচ্ছে করলেই যখন তখন ছেলে-বৌমার ঘরে ঢুকে পড়েন না তিনি।  

বহু দিন ধরে মুম্বইয়ের বান্দ্রা এলাকায় স্বপ্নের বাড়ির অপেক্ষায় ছিলেন রণবীর কপূর ও আলিয়া ভট্ট। অবশেষে সেই বাড়ি প্রস্তুত হয়েছে। খবর,  এর চেয়ে বেশি দামের বাড়ি নাকি ভারতের আর কোনও তারকার নেই। সাততলা এই বাড়ি শাহরুখ খানের ‘মন্নত’ কেও ছাপিয়ে গিয়েছে! সবুজে ঘেরা প্রাসাদোপম সমুদ্রমুখী এই বাড়ির ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ২৫০ কোটির এই বাড়ির চতুর্থ তলায় থাকেন নীতু কপূর।

ছেলে-বৌমা ও নাতনি সকলে মিলেই একই বাড়িতে থাকেন। তবে ইচ্ছে করলেই যখন তখন ছেলে-বৌমার ঘরে যান না নীতু।এককালে যৌথ পরিবারের যে ধারণা ছিল, তা বর্তমানে অনেকটাই ফিকে। সকলেই নিজের মতো করে থাকতেই পছন্দ করেন। যদিও রণবীর ও আলিয়া বড় তারকা হয়েও যেন ভারতীয় সংস্কৃতিকে ধরে রেখেছেন। আলিয়া তাঁর  শাশুড়িকে নিয়ে একই বাড়িতে থাকেন। তবে বাড়ি এক হলেও ছেলে-বৌমার সংসারে দখলদারি করতে যান না নীতু, নিজেই জানান সে কথা।

নীতুর কথায়, আমি ওদের গোপনীয়তাকে সম্মান করি। আমি যখন তখন ওদের ঘরে ঢুকে পড়ি না। রাহা যখন সময় পায়, আমার কাছে আসে। আমি নিজে থেকে সারাক্ষণ যাই না। ছেলেমেয়েদের বিয়ে হয়ে গেলে, তাদের নিজেদের মতো ছেড়ে দিতে হয়। মেয়ে ঋদ্ধিমার বিয়ের পরে ঋষিজিকেও এটাই বলেছিলাম যে, মেয়েকে যেন যখন তখন ফোন না করে বসেন। কিন্তু ঋষিজি শোনেননি। তিনি জেদি ছিলেন। তবে আমি ছেলে ও বৌমার সংসারে অযাচিত ভাবে ঢুকে পড়তে চাই না।

মুম্বইয়ের  বান্দ্রার পালি হিল এলাকায় এই বাড়িটি আদতে রাজ কপূর ও কৃষ্ণা রাজ কপূরের বাড়ি। আশির দশকে এটি ঋষি কপূর ও নীতু কপূরকে লিখে দিয়েছিলেন তাঁরা। সেই বাড়িই উত্তরাধিকার সূত্রে এখন রণবীর ও আলিয়ার হাতে।

ভোরের আকাশ /এস কে

শেয়ার করুন: