শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাহসী চরিত্রে অভিনয়ের ক্রেডিট আমার স্বামীর : সাদিয়া

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৫, ৭:২১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সাহসী চরিত্রে অভিনয়ের ক্রেডিট আমার স্বামীর : সাদিয়া
সাহসী চরিত্রে অভিনয়ের ক্রেডিট আমার স্বামীর : সাদিয়া

ছোট পর্দায় দীর্ঘদিন ধরেই সুনামের সঙ্গে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী সাদিয়া তানজিন। ২০২১ সালে নির্মাতা রাশিদ পলাশের ‘পদ্মাপুরাণ’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার।

এই সিনেমায় বেশ সাহসী চরিত্রে ধরা দেন সাদিয়া তানজিন। একজন মাদক ব্যবসায়ীর স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। যেখানে স্বামীর অপরাধ জগত একটা সময় নিজেই সামলাতে শুরু করেন।

এই চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে বেশ সাহসী কিছু কর্মকাণ্ড ও দৃশ্যে অভিনয় করতে দেখা গেছে সাদিয়াকে। যা নিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন তিনি।


বরাবরই ছোট পর্দায় সাধারণ কিছু চরিত্রে অভিনয় করা সাদিয়াকে এমন সাহসী অবতারে দেখে অবাক হয়েছেন ভক্তরাও। অভিনেত্রী জানালেন, ভিন্নমাত্রায় কাজ করতে পছন্দ করেন বলেই এই চরিত্রটি বেছে নিয়েছিলেন তিনি।

শুধু তাই নয়, এই চরিত্রে অভিনয়ের সম্পূর্ণ ক্রেডিট দিয়েছেন স্বামীকে। অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমি সবসময় একটু ভিন্নমাত্রার কাজ করতে ভালোবাসি। তবে এমন সাহসী চরিত্রে কাজ করার পেছনে সম্পূর্ণ ক্রেডিট আমার স্বামীর।’

সাদিয়া বলেন,  ‘সাধারণত দর্শকরা স্ক্রিনে আমাদের যেমন দেখেন, মনের মধ্যে তেমনই একটা ক্যানভাস তৈরি করে ফেলেন। শাবানা ম্যাডামকে যেমন কখনোই বোল্ড কোনো চরিত্রে মেনে নিতে পারবে না, আবার রীনা খানকে নেতিবাচক কোনো চরিত্রের বাইরে দেখলেও গ্রহণ করতে পারবে না।’

‘‘সে কারণেই এমন একটা চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব আসার পরে নির্মাতার সঙ্গে কথা বলে দুইদিন সময় নেই। আমি চেয়েছিলাম কাজটা করব না। কিন্তু গল্পটা পছন্দ হয়েছিল। পরে স্বামীর সাথে শেয়ার করি। সে আমাকে বলে, অবশ্যই তুমি কাজটা করবে। সে আমাকে বলে, ‘তুমি যে অভিনয় পারো। তোমার যে অভিনয়ের একটা যোগ্যতা আছে। সেটাই তো প্রকাশ করবা’’।

সাদিয়া বলেন, ‘সিনেমায় আমার চরিত্র ছিল, আমার স্বামী সেখানকার মাদক ব্যবাসয়ী। একটা সময়ে সে প্যারালাইজড হয়ে যায়। ফলে পুরো ব্যবসা আমার হাতে চলে আসে। আর ব্যবসা সামলে রাখতে সেখানকার ওসিকে হাতে রাখতে হয়। যার সঙ্গে সবকিছুই করতে হয়। বলা যায়, খুবই বোল্ড চরিত্র ছিল এটি।’

এমন একটা চরিত্রে অভিনয়ের পর সাদিয়া ভেবেছিলেন, দর্শকরা হয়তো নেতিবাচকভাবেই গ্রহণ করবে। কিন্তু অভিনেত্রী জানালেন, তেমনটা ঘটেনি। উল্টো সকলেই তার অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: