শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাণিজ্য দ্বন্দ্বের মধ্যেই ট্রাম্প-শির রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৫ জুন ২০২৫, ১১:৩৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাণিজ্য দ্বন্দ্বের মধ্যেই ট্রাম্প-শির রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ
বাণিজ্য দ্বন্দ্বের মধ্যেই ট্রাম্প-শির রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বাণিজ্যিক ও কৌশলগত উত্তেজনার মধ্যেই উভয় দেশের শীর্ষ নেতারা একে অপরকে রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন কূটনৈতিক নমনীয়তাকে আন্তর্জাতিক মহলে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বেইজিংয়ে এক আলোচনায় শি জিনপিং বলেন, দুই দেশের সম্পর্কে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে দিকনির্দেশনা সুস্পষ্ট করতে হবে। তিনি জেনেভায় অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক আলোচনা ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ বলে উল্লেখ করেন, যেখানে উভয় পক্ষের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

চীনা প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, সংলাপ ও সহযোগিতা একমাত্র পথ। পারস্পরিক উদ্বেগকে সমান গুরুত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠিত পরামর্শ কাঠামো কাজে লাগানো এবং যৌথভাবে ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরির দিকেই মনোযোগ দেয়া উচিত।

চীন দাবি করেছে, আলোচনার পর তারা চুক্তি বাস্তবায়নে অগ্রসর হয়েছে। শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা বাস্তবসম্মতভাবে অগ্রগতি মূল্যায়ন করে এবং চীনের বিরুদ্ধে নেয়া নেতিবাচক পদক্ষেপগুলো প্রত্যাহার করে।

চীন কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিকসহ নানা খাতে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও বোঝাপড়ার ওপর জোর দিয়েছে, যাতে ভুল বোঝাবুঝি ও উত্তেজনা কমে আসে।

এদিকে, ট্রাম্পও চীনের প্রতি শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সম্পর্ক মেরামতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং একটি আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাঠিয়েছেন। যদিও দুই দেশের পুরোনো বাণিজ্য দ্বন্দ্ব, প্রযুক্তি স্থানান্তর ইস্যু, দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনা এখনো বহাল রয়েছে, তবে শীর্ষ নেতৃত্বের এই সদিচ্ছা বৈশ্বিক অঙ্গনে আশাবাদের নতুন দ্বার খুলেছে।

 

ভোরের আকাশ/হ.র

ডোনাল্ড ট্রাম্প

শেয়ার করুন: