শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতে হু হু করে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৮ জুন ২০২৫, ৫:৫১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভারতে হু হু করে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা
ভারতে হু হু করে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা

ভারতে ফের হু হু করে করে বাড়ছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় প্রাণ গেছে ছয়জনের। এ ছাড়া করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছয় হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

রোববার (৮ জুন) ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দ্য ইকোনমিক টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৬৯ জন। যার মধ্যে কেরালায় সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এরপর যথাক্রমে আছে গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গ এবং দিল্লি। বর্তমানে দেশটিতে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ১৩৩ জন।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের বেশিরভাগ সুস্থ আছেন এবং বাড়িতেই তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ভারতে হঠাৎ করেই করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টাতেই ছয়জনের মৃত্যু হলেও গত জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাত্র ৬৫ জনের মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। অপরদিকে চলতি বছরের ২২ মে পর্যন্ত সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ২৫৭ জন।

সতর্কতার অংশ হিসেবে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো রোগ এবং শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।

২০১৯ সালের শেষদিকে চীনে প্রথম করোনার সংক্রমণ শুরু হয়। যা কোভিড-১৯ নামে পরিচিতি পায়। এই করোনার প্রভাবে থমকে গিয়েছিল পুরো বিশ্ব।

ভোরের আকাশ/আজাসা

শেয়ার করুন: