শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২০০০ ছাড়ালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১ এপ্রিল ২০২৫, ৬:৪৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২০০০ ছাড়ালো
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২০০০ ছাড়ালো

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি এবং এখনো নিখোঁজ দুই শতাধিক মানুষ। ভূমিকম্পের তিনদিন পরও আটকেপড়া মানুষদের খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা জোরদার রেখেছে প্রশাসন। 

সোমবার (৩১ মার্চ) আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তা জানায়, শেষ ঘণ্টা পর্যন্ত ভূমিকম্পে ২,০৫৬ জন নিহত হয়েছেন। ৩,৯০০ জনেরও বেশি আহত।

এছাড়া এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ২৭০ জন। সাহায্যকারী গোষ্ঠীগুলো ভূমিকম্প বিধ্বস্ত দেশটিতে মানবিক সংকট আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। এরপর জাতিসংঘ ৮০ লক্ষ ডলার জরুরি সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে। 

এদিকে মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় এবং আহত রোগীদের সামলাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হিমশিম খাচ্ছে।মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধের মধ্যে দুর্যোগ ত্রাণ প্রচেষ্টা জোরদার করতে ‘যুদ্ধবিরতি হওয়া প্রয়োজন’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মিয়ানমারে মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুজ।

তিনি আরও বলেন, ভূমিকম্পের পর বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মানবিক সাহায্য যাতে মিয়ানমারে ঢুকতে পারে এবং বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য যুদ্ধবিরতি হওয়া খুবই দরকার। এদিকে, ভূমিকম্পে বিধ্বস্তে মিয়ানমারের হামলা চালিয়ে যাচ্ছে জান্তা সরকার। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যত্থানের মাধ্যমে জান্তা সরকারের ক্ষমতা নেয়ার পর জান্তা বিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো তাদের হটাতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধেই বিমান হামলা চালাচ্ছে সামরিক বাহিনী।

গত শুক্রবার (২৮ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুরে মিয়ানমারের মান্দালয় শহরের কাছে ভয়াবহ ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রতিবেশি থাইল্যান্ডও। এছাড়া বেশ কয়েকটি দেশে কম্পন অনুভূত হয়।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: