শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিলেই ৬ লাখ টাকা বোনাস

ভোরের আকাশ প্রতিবেদন

প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৫, ১০:০৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিলেই  ৬ লাখ টাকা বোনাস
যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিলেই ৬ লাখ টাকা বোনাস

যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিলেই মায়েরা প্রায় ছয়লাখ টাকা (৫ হাজার ডলার) করে পাবেন। জন্মহার বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে মঙ্গলবার বলেছেন, আমার কাছে এটি একটি ভাল ধারণা বলে মনে হচ্ছে। মায়েদের জন্য এটি শুভ সংবাদ। তার প্রশাাসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায়গুলো বিবেচনা করছে। সরকার প্রদত্ত বেনিফিটগুলোতে এই পাঁচ হাজার ডলার বোনাস ‘শিশু বোনাস’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে।

ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকান নাগরিক গর্ভবতী মায়ের ঔরশ থেকে সন্তানদের আগমনে আগাম শুভেচ্ছা রইল। অবৈধ ইমিগ্রান্ট বা কাগজপত্রহীন মায়েরা এ বোনাস পাবেন কিনা পরিষ্কার করেননি ট্রাম্প।

দ্যা নিউইয়র্ক টাইমস অনুসারে, ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে উত্থাপিত অন্যান্য ধারণাগুলোর মধ্যে রয়েছে চাইল্ড ট্যাক্স ক্রেডিট সম্প্রসারণ, শিক্ষার জন্য প্রতিমাসে অর্থায়ন এবং বিবাহিত বা সন্তানধারী ব্যক্তিদের জন্য ফুলব্রাইট ফেলোশিপের মতো ফেডারেল প্রোগ্রামগুলোতে স্থান সংরক্ষণ করা। ছয় বা তার অধিক সন্তান জন্মদাত্রী মাকে সরকারের পক্ষ থেকে ‘ন্যাশনাল মেডেল অব মাদারহুড’ পদক দেয়া হবে বলে ট্রাম্প প্রশাসন বিবেচনা করছে।

সিডিসির তথ্য অনুসারে, এশিয়ান (ভারত ব্যতিত) এবং হিস্পানিক মহিলাদের সন্তান জন্মহার বেশি।  অন্যদিকে কৃষ্ণাঙ্গ, শ্বেতাঙ্গ এবং আমেরিকান ভারতীয় নারীদের মধ্যে হার হ্রাস পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে জন্মহারের তুলনায় মৃত্যুহার তুলনামূলক কম হওয়ায় প্রশাসন বিষয়টির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। বিশেষ করে হোয়াইট আমেরিকানদের মধ্যে সন্তান না নেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় রিপাবলিক্যান আমেরিকান রাজনীতিকরা এই প্রণোদনা চালুর ব্যাপরে উৎসাহ দেখিয়েছেন বেশি।

গত মাসে ১৪ সন্তানের জনক ও ট্রাম্পের বন্ধু ইলন মাস্ক ফক্স নিউজকে বলেছিলেন, জন্ম নিয়ন্ত্রণের ফলে মানবতা মারা যাচ্ছে। গত সপ্তাহে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্পষ্ট করে বলেছিলেন, তিনি ‘আরও শিশু’ চান। জানুয়ারিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মার্চ ফর লাইফের এক সমাবেশে গর্ভপাত বিরোধী কর্মীদের বলেছিলেন- সন্তান ধারণ করা আমেরিকানদের বাধ্যতা। আমি খুব সহজভাবে বলছি, আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আরও শিশু চাই।

ভোরের আকাশ/এসআই

শেয়ার করুন: