শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা থালাপতি বিজয়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৩:১০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের তামিলনাড়ুতে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়ের সমাবেশস্থলে পদদলিত হয়ে হতাহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) এমনটাই জানিয়েছে বিজয়ের দল- তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজহাগম বা টিভিকে। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় তামিলনাড়ুর কারুর জেলায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে পদদলিত হয়ে নিহত ৩৯ জনের প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। প্রায় ১০০ জন আহতদের প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন টিভিকে প্রধান থালাপতি বিজয়।

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, থালাপতি বিজয় জনসভার মঞ্চে আসার পর তাকে কাছ থেকে দেখতে গিয়ে মঞ্চের ব্যারিকেডের দিকে চলে আসেন মানুষ। ওই সময় দমবন্ধকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে অনেকে জ্ঞান হারান। এরপরই পদদলনের ঘটনা ঘটে। জনসভায় ৩০ হাজার মানুষ জড়ো হবেন বলে ধারণা করা হলেও সেখানে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ জড়ো হয়ে যান। যা বাড়তি চাপ ফেলে সমাবেশস্থলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত পৌনে ৮টার দিকে বিপুলসংখ্যক লোক থালাপতি বিজয়কে একনজর দেখার জন্য মঞ্চের ব্যারিকেডের দিকে এগিয়ে যান। ওই সময় ঘটনার সূত্রপাত। লোকজন হুড়োহুড়ি করে সামনে যাওয়ার সময় অনেকেই অচেতন হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় শিশুরা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। উপস্থিত পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকেরা পরিস্থিতি সামলানোর আগেই অনেকে পদদলিত হন।

স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঞ্চের চারপাশে পর্যাপ্ত ফাঁকা জায়গা ছিল না। ফলে বিজয়কে একনজর দেখার জন্য মানুষ যখন সামনে এগোতে থাকে, তখন অতিরিক্ত চাপে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, মূলত থালাপতি বিজয়ের গতকালের জনসভায় যে সময় আসার কথা ছিল তার সাত ঘণ্টা পর তিনি মঞ্চে উপস্থিত হন। তার দেরির কারণে মানুষের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। একটা সময় সেখানে মানুষের মধ্যে গাদাগাদি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এরপরই ঘটে যায় ভয়াবহ এ ঘটনা। নিহতের সংখ্যা ৩৯ থেকে বেড়ে আরও অনেক বেশি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

ক্ষতিপূরণভারতসমাবেশথালাপতি বিজয়

শেয়ার করুন: