শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারে স্কুলে জান্তা বাহিনীর বর্বর হামলায় শিশুসহ নিহত ২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৫, ৯:১৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
মিয়ানমারে স্কুলে জান্তা বাহিনীর বর্বর হামলায় শিশুসহ নিহত ২২
মিয়ানমারে স্কুলে জান্তা বাহিনীর বর্বর হামলায় শিশুসহ নিহত ২২

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমারে সামরিক জান্তা বাহিনীর বিমান হামলায় একটি স্কুলে ২২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২০ জনই শিশু। আর অন্য দুজন শিক্ষক। সোমবার (১২ মে) এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি গ্লোবাল।

স্কুলের ৩৪ বছর বয়সী এক শিক্ষক বলেন, এখন পর্যন্ত ২২ জন নিহত হয়েছেন যাদের মধ্যে ২০ জন শিশু ও দুইজন শিক্ষক।

তিনি বলেন, আমরা শিশুদের ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু যুদ্ধবিমানটি অনেক দ্রুতগতিতে ছিল এবং দ্রুতই বোমা ফেলে দেয়।

এক শিক্ষক জানান, আমরা শিশুদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু যুদ্ধবিমান এত দ্রুত ছিল যে পালানোর সময়ই পাইনি। স্থানীয় শিক্ষা বিভাগও প্রাণহানির এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। জান্তার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

মিয়ানমারে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ চলছে। জান্তা সরকার একদিকে বিক্ষোভ দমন করছে বর্বরভাবে, অপরদিকে বহু জাতিগত গোষ্ঠী ও গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ যোদ্ধারা যৌথভাবে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।

বিশেষ করে সাগাইং, কারেন এবং চিন প্রদেশে লড়াই তীব্রতর হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে জান্তা বাহিনী প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হাতে বড় ধরনের ক্ষতিও স্বীকার করেছে। কিন্তু এইসব প্রতিরোধ এবং বিশ্বজনমতের চাপে পড়েও জান্তার বর্বরতা থামছে না। শিশুদের ওপর এই হামলা প্রমাণ করে, মিয়ানমারে শান্তির প্রত্যাশা এখনও অনেক দূরের পথ।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: