শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তি চান জুলাই শহীদদের পরিবার ও আহতরা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৫৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির ফাঁসির দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে জড়ো হয়েছেন শহীদ পরিবারের অনেক সদস্য এবং আহতরা।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রথমে ট্রাইব্যুনালের গেটে অবস্থান নেন তারা। এরপর ভেতরে প্রবেশ করেন। এসময় তারা শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ট্রাইবুনালের রায় দেখতে আসা স্বজন ও আহতদের কারও হাতে শহীদ স্বজনের ছবি, কেউ ব্যানার-পেস্টুন নিয়ে দাঁড়িয়ে। তাদের একটাই দাবি- এই মামলায় হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হোক।

মিরপুর থেকে আসা জুলাই আহত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আরাফাত বলেন, সেদিন যখন পুলিশের গুলি আমার পায়ে আঘাত করে, তখন সঙ্গে সঙ্গেই সড়কে পড়ে যাই। তখন শত চেষ্টা করেও উঠে দাঁড়াতে পারছিলাম না। এরপর আর কিছু লোক টেনে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেই দিনগুলোর বিভীষিকাময় পরিস্থিতি ছিল, সেটা আমরা আজও ভুলতে পারছি না। আজ এখানে এসেছি সেই দিনটার বিচার দেখতে। হাসিনার ফাঁসি হলেই মনে হবে শহীদ ভাইদের রক্ত বৃথা যায়নি।  

উত্তরা থেকে আসা এক আহত বলেন, আমি কোনো রাজনীতির মানুষ নই। ভুল সময়ে ভুল জায়গায় ছিলাম। এখনো মনে হয়, পেছন থেকে কেউ ধাক্কা দেবে। তারপরও আজ এসেছি- কারণ অন্যায় দেখেও চুপ থাকা যায় না। এদিকে রায় ঘোষণাকে ঘিরে গোটা এলাকা সকাল থেকেই টানটান উত্তেজনায় আচ্ছন্ন। ট্রাইব্যুনাল থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত রাস্তা ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা। পুলিশ, র‌্যাব, এপিবিএন, বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরাও টহল দিচ্ছেন। গোয়েন্দারা নজর রাখছেন প্রতিটি প্রবেশপথে। দোয়েল চত্বর হয়ে শিক্ষাভবনমুখী সড়ক গত রাত থেকেই বন্ধ। সাধারণ মানুষের চলাচলেও রয়েছে সীমাবদ্ধতা; সন্দেহজনক মনে হলেই জিজ্ঞাসাবাদে নেওয়া হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

জুলাই বিপ্লবজুলাই গণহত্যাআন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

শেয়ার করুন: