শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কুয়াশায় ঢেকে গেছে রাজধানী, শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার দাপটে রাজধানী ঢাকায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে।

আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোর থেকেই কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশার কারণে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে।

ভোর ও সকালের দিকে কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকায় অনেক এলাকায় দৃশ্যমানতা কমে যায়। এ কারণে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। বিশেষ করে চালকদের বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও ধীরগতিতে যান চলাচলের খবর পাওয়া গেছে।

ছুটির দিন হওয়ায় অন্য দিনের তুলনায় রাস্তায় মানুষের চলাচল কিছুটা কম ছিল। তবে জরুরি কাজে যারা বের হয়েছেন, তাদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। হিমেল বাতাসে একাধিক গরম পোশাক পরেও শীত সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন অনেকেই।

এক পথচারী বলেন, “ভোরে দরকারি কাজে বের হয়েছি। এত ঠান্ডা যে কাঁপুনি থামছে না। কুয়াশার কারণে সামনে ঠিকমতো দেখা যায় না, রাস্তায় চলতে খুব কষ্ট হচ্ছে।”

এক রিকশাচালক জানান, “সকালে যাত্রী কম থাকে। ঠান্ডায় হাত-পা জমে যায়, তবুও সংসারের জন্য বের হতে হয়। শীতে শরীর ভালো থাকে না।”

শীতের তীব্রতায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ, খেটে খাওয়া শ্রমজীবী এবং রাস্তায় কাজ করা মানুষজন। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে তাদের জন্য এই শীত আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শীতের এই সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে সামাজিক ও সরকারি উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

ভোরের আকাশ/মো.আ.


 

শীত ও কুয়াশারাজধানীঢাকা

শেয়ার করুন: