ব্রেকের বদলে অ্যাক্সিলারেটরে চাপ, ঢাবিতে আহত ৭ শিক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) একটি প্রাইভেট কারের ধাক্কায় ৭ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। চালকের দাবি অনুযায়ী, আতঙ্কিত হয়ে ব্রেকের পরিবর্তে অ্যাক্সিলারেটরে চাপ দেওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ (এফবিএস) ও মলচত্বর সংলগ্ন গেটের সামনের সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
গাড়িটি চালাচ্ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের ছেলে সাদমান সাকিব। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তার কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না এবং তিনি ক্যাম্পাসের ভেতরে গাড়ি চালানো শিখছিলেন। চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা রিকশা এবং কয়েকজন পথচারী শিক্ষার্থীকে সজোরে ধাক্কা দেন। এতে শিক্ষার্থীরা ছিটকে পড়ে আহত হন।
আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাহিদুল ইসলাম হৃদয়, কানিজ ফাতেমা, তাসনিয়া বেগম, মিফতাহুল, তাসফিয়া তাবাসসুম, সিদরাতুল এবং জান্নাতুল ইসলাম তাহিয়া রয়েছেন, যারা সবাই মার্কেটিং বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (৩২তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী।
আহতদের মধ্যে তাহিয়ার পা ভেঙে গেছে এবং মাথায় ও মুখে গুরুতর আঘাত লাগায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গাড়িটি ভাঙচুর করেন এবং চালককে মারধর করেন। পরবর্তীতে সাদমান সাকিবকে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে প্রক্টর অফিসের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. শান্টু বড়ুয়া জানিয়েছেন যে, শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে।
ভোরের আকাশ/আ.র