শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সামাজিক প্রতিরোধ ছাড়া সমাজ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক

ভোরের আকাশ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সামাজিক প্রতিরোধ ছাড়া কোনোভাবেই সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

তিনি বলেন, শুধু পুলিশি ব্যবস্থা দিয়ে মানুষকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে সামাজিক সংগঠন ও পরিবারের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

মঙ্গলবার (১১ আগষ্ট) সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে মাদক ও ইন্টারনেটে আসক্তি, ক্যারিয়ার নির্বাচনে বিভ্রান্তি: সমাধানের যে পথে শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুস সালাম বলেন, পুলিশ দিয়ে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। পুলিশ দিয়ে মানুষ ভালো মানুষ তৈরি করা যায় না। বরং একবার পুলিশের খপ্পরে পড়লে সে আরও খারাপ হয়ে বের হয়ে আসতে পারে। তাই সামাজিক সংগঠনগুলোর দায়িত্ব অনেক বেশি।

তিনি বলেন, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হলে প্রথমে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নিজের ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে মাদক, ইন্টারনেট আসক্তি ও অন্যান্য ক্ষতিকর বিষয় থেকে দূরে থাকতে হবে। তাঁর ভাষায়, ‘যে নিজেকে জয় করতে পেরেছে, পৃথিবীতে মহামানব তারাই হয়েছে।’

পরিবারের ভূমিকার কথা তুলে ধরে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আগে সন্তানের প্রতি পরিবারের জবাবদিহি ছিল বেশি। সন্ধ্যার পর বাড়ি ফিরতে দেরি হলে সন্তানকে নানা প্রশ্নের জবাব দিতে হতো। পকেটে অতিরিক্ত টাকা পাওয়া গেলেও বাবা-মা জানতে চাইতেন, টাকা কোথা থেকে এসেছে। এখন সেই পারিবারিক শাসন ও জবাবদিহি অনেকটাই কমে গেছে।

তরুণদের মাদক ও ইন্টারনেট আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, পাঠাগার, পাঠচক্র ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। আবদুস সালাম বলেন, এলাকায় পাঠাগার গড়ে তুলতে হবে, খারাপ আড্ডার পরিবর্তে পাঠচক্র করতে হবে। রবীন্দ্রজয়ন্তী ও নজরুলজয়ন্তীর মতো সাংস্কৃতিক আয়োজনও এলাকায় করা দরকার।

তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বর্তমান প্রজন্মের ওপর নির্ভর করছে। মেধাবী তরুণেরা বিদেশে চলে গেলে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবেসে মেধাকে দেশের কাজে লাগাতে হবে।

আবদুস সালাম বলেন, মেধার কোনো বিকল্প নেই। যারা ভালো বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, চিকিৎসক ও অন্যান্য পেশাজীবী হতে পারে, তাদের দেশেই থেকে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি মানুষের জীবনে একটি লক্ষ্য থাকা প্রয়োজন। লক্ষ্যহীন জীবন মানুষকে হতাশার দিকে নিয়ে যায়। পরীক্ষায় ব্যর্থতা বা জীবনের কোনো বাধাকে চূড়ান্ত ব্যর্থতা হিসেবে দেখা উচিত নয়। হতাশা থেকে অনেক সময় মানুষ মাদকসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর আসক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ে।

সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত সেমিনার, কর্মশালা ও আলোচনা আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এসব আয়োজনের মাধ্যমে একজন মানুষও যদি নিজের জীবন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলেও তা সমাজের জন্য বড় অর্জন।

আরও পড়ুন

শ্রমিকদের তিন দফা দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার

আবদুস সালাম বলেন, আপনি নিজে সুস্থ থাকলে আপনার পরিবার সুস্থ থাকবে, পরিবার সুস্থ থাকলে সমাজ সুস্থ থাকবে। আর সমাজ সুস্থ থাকলেই রাষ্ট্র এগিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্র—সব ক্ষেত্রেই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোতে পারলেই ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের সাফল্য নিশ্চিত করা সম্ভব।

ভোরের আকাশ/এনউব

ডিএসসিসি প্রশাসক

শেয়ার করুন: