‘স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তমদ্দুন মজলিসের বড় অবদান রয়েছে’

আজকের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বড় অবদান রয়েছে তমদ্দুন মজলিসের। মানুষের অধিকার, আদায়ের জন্য তমুদ্দিন মজলিস প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। সত্যিকারের ইতিহাস, চেতনা, সংস্কৃতি তুলে ধরেছে এই ঐতিহ্যবাহী সংগঠনটি।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সংগঠনটির ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক অধ্যাপক আব্দুল গফুর, বিশিষ্ট পরমানু বিজ্ঞানি ড. শমসের আলী, সাবেক সচিব এজেডএম শামসুল আলম, মজলিসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন খানের স্মরণে আলোচনা সভায় বক্তরা এ কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মজলিসের সভাপতি সাবেক কূটনীতিক ড. মুহাম্মাদ সিদ্দিকি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মেজর (অব.) জামিল আহমেদ। বক্তব্য রাখেন মজলিসের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক এম. এ. সামাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক ড, মো. আবু সায়েম, ঢাবির সাবেক অধ্যাপক ড. এম. আখতারুজ্জামান, কবি শাহ সিদ্দিকি, ড. জসিমউদ্দিন, অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান বিশ্বাস, ড. মো. ইশা শাহেদি, আলহাজ ড. শামীম সিরাজী, কবি রবিউল মাশরাফি, মোস্তফা মাসুম আল বান্না, কবি আতিক হেলাল, ড. এ. কে. এম মাহাবুবুর রহমান, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন জনি এবং অধ্যাপক ড. একরামুল ইসলাম।
সভায় বক্তারা বলেন, অশান্তি-বিক্ষুব্ধ আজকের বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মহানবী হযরত মোহাম্মদের (সা.) আদর্শের বিকল্প নেই। ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। দুঃখের বিষয়, আজকের মুসলিম বিশ্ব মহানবীর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়ে ভুল পথে রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, তমদ্দুন মজলিস পাকিস্তান সৃষ্টির মাত্র ১৫ দিনের মাথায় (১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর) গঠিত হয়। ভাষা আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়। যার হাত ধরে ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ভাষা আন্দোলন না হলে স্বাধীনতার চেতনা সেইভাবে তৈরি হতো না। সেই হিসেবে তমদ্দুন মজলিসকে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টাও বলা যায়। এই সংগঠন ইসলামি জীবন দর্শনের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত কাজ করে চলছে।
ভোরের আকাশ/এসএইচ