শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১২২ দিন পর বাড়ি ফিরল মাইলস্টোনের আরিয়ান

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ নভেম্বর ২০২৫, ৬:৫৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ ১২ বছরের শিশু আরিয়ান আফিফ দীর্ঘ ১২২ দিনের জীবন-মৃত্যুর লড়াই শেষে মায়ের কোলে ফিরেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট থেকে হাসিমুখে বাড়ি ফিরেছে এই ছোট্ট যোদ্ধা।

গত জুলাই মাসে ভয়াবহ মাইলস্টোন বিমান দুর্ঘটনার পর শরীরের ৪০ শতাংশেরও বেশি দগ্ধ অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছিল আরিয়ানকে। জীবন বাঁচানোর প্রথম আট দিন তাকে ভেন্টিলেশনে রাখতে হয়। এরোনারি কেয়ার ইউনিট ও আইসিইউতে কাটানো সেই দুঃসহ সময়ে চিকিৎসকরা প্রায় হাল ছেড়েই দিয়েছিলেন। কিন্তু হার মানেনি আরিয়ান।

১২২ দিনে তার শরীরে ছোট-বড় মোট ৩৪টি অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। একেকটি অপারেশন ছিল নতুন একটি যুদ্ধ। ত্বক প্রতিস্থাপন থেকে শুরু করে গ্রাফটিং–প্রতিটি ধাপেই মৃত্যু উঁকি দিয়েছে। তবু শিশুটির বেঁচে ফেরার অদম্য ইচ্ছা আর চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ সে নিজের পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরল। সকালে হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি আরিয়ানের মা।

তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম আমার ছেলেকে আর ফিরে পাব না। ও যতদিন ছিল না, আমার বাসার দরজা বন্ধ ছিল। আজ তা খুলে গেল।

ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. মুহাম্মদ নাসির উদ্দীন বলেন, আরিয়ানের কেস ছিল আমাদের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন কেসগুলোর একটি। শুধু শারীরিক দগ্ধ নয়, মানসিক আঘাতও ছিল প্রচণ্ড। তাকে শারীরিক ও মানসিক–দুদিক থেকেই সুস্থ করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, চিকিৎসা চলাকালীন আরিয়ানের শরীরে ছোট-বড় ৩৪টি অস্ত্রোপচার করা হয়। টানা তিন দিনসহ মোট আট দিন তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখতে হয়েছিল।

ডা. নাসির উদ্দীন জানান, হাসপাতালের পক্ষ থেকে আরিয়ানকে ছুটি-পরবর্তী ফলোআপসহ সব নির্দেশনা দেয়া হবে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

মাইলস্টোন দুর্ঘটনাআরিয়ান

শেয়ার করুন: