শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৬ আগস্ট ২০২৫, ২:৩৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ঢাকা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা
ঢাকা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ১৪৮৩ জন জুলাই যোদ্ধা ও ৮২ শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দিয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) এই আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “দেশের সাধারণ মানুষের বুকে গুলি চালিয়ে ফ্যাসিবাদী সরকার ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করেছিল। গত ১৬ বছর ধরে দেশে গড়ে তোলা হয়েছিল এক মাফিয়াতন্ত্র। ৫ আগস্ট শুধুমাত্র একটি দিবস নয়, এটি আমাদের জাতির প্রতিজ্ঞা, গণজাগরণ এবং পুনর্জন্মের দিন।”

তিনি একইসঙ্গে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধারা স্মৃতিচারণায় অংশ নেন। পরে তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও গিফট বক্স তুলে দেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং ঢাকা জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ।

অনুষ্ঠানে শহীদ শুভ’র মা রেনু বেগম বলেন, “গত বছরের ১৯ জুলাই বিকেলে আমার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পরও কোনো চিকিৎসা হয়নি। এমনকি গোসল পর্যন্ত করতে দেওয়া হয়নি। আমার ছেলে কি ছাত্রদের ডাকে সাড়া দিয়ে ভুল করেছিল?”

শহীদ আকরাম খান রাব্বির মা বলেন, “আমরা আনন্দ করতে আসিনি, বিচার চাইতে এসেছি। সন্তানহারা মায়ের দুঃখ কেউ বোঝে না। শেখ হাসিনার বিচার চাই— এমন শাস্তি হোক, যাতে পুরো পৃথিবী কাঁপে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ। তিনি বলেন, “পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগীরা পালিয়ে যাওয়ায় প্রশাসনে এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। তা মোকাবেলা করে আমরা নাগরিক সেবা আবার সচল করেছি।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, এবং সমাজকল্যাণ ও মহিলা-শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস. মুরশিদ প্রমুখ।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যেমন শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে আন্দোলনের বীরদের, তেমনি উচ্চারিত হয়েছে বিচারের দাবিও— যা প্রতিধ্বনি তুলেছে পুরো মিলনায়তনে।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: