শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আগুন লেগেছে ভালোবাসার গোলাপে!

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

আজ ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুন । তাই ফুটপাত, মোড়, পার্কের সামনে আর ব্যস্ত সড়কের ধারে ধারে সারি সারি ফুলের দোকান; লাল গোলাপ যেন ভালোবাসার সরকারি মুদ্রা।

তাই গোলাপের দামে আগুন। স্বাভাবিক সময়ে ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হওয়া একটি গোলাপ এখন খুচরা বাজারে ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য ফুলের দামও চড়া। ৫০ টাকার নিচে কোনো ফুল কেনা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর রামপুরা ও খিলগাঁও এলাকা ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে এই এলাকায় বেশ কয়েকটি অস্থায়ী ফুলের দোকান বসেছে।

এসব ফুল ব্যবসায়ীরা বলছেন, বছরে কয়েকটি বিশেষ দিবস- ভালোবাসা দিবস, পহেলা ফাল্গুন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ফুলের দাম বেড়ে যায়। এর মধ্যে গোলাপের দাম বাড়ে সব থেকে বেশি। অন্যান্য বারের মতো এবারও গোলাপের দাম বেড়েছে। তবে বিক্রি কম।

তবে গোলাপের দাম বাড়া নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। তারা বলছেন, প্রতি বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি গোলাপের চাহিদা বাড়ে। সেই সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দেন। লাল গোলাপ ভালোবাসার প্রতীক। ভালোবাসার এই প্রতীক প্রতি বছরই এমন দামের কাঁটা বিঁধিয়ে দেয় সাধারণ মানুষের হৃদয়ে! এটা বন্ধ হওয়া উচিত।

রাজধানীর সালামবাগে একদিনের জন্য ফুলের দোকান দিয়ে বসা সোহেল বলেন, আমি নিজেই কয়েকদিন আগে একটা গোলাপ ৫ টাকা দিয়ে কিনেছি। কিন্তু আজ পাইকারিতেই একেকটি গোলাপ ৩০-৪০ টাকা পড়ে গেছে। ভাড়া, ফুল নষ্ট হওয়া- সব মিলিয়ে ৬০ টাকা না রাখলে লাভ থাকবে না।

তিনি বলেন, আমি নিয়মিত ফুল বিক্রি করি না। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে আজ একদিনের জন্য ফুলের দোকান দিয়েছি, যা বিক্রি করার আজই করবো। কোনো ফুল অবিক্রিত থাকলে সেটি নষ্ট হবে। সবকিছু মাথায় রেখেই বিক্রি করতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গোলাপের দাম বাড়লেও এবার বিক্রি কম। সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মাত্র একটি গোলাপ বিক্রি হয়েছে। আগে এখানে ১৪ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বেশ কয়েকটি দোকান বসতো। এখন শুধু আমিই বিক্রি করছি। তারপরও বিক্রি হচ্ছে না। দেখা যাক বেলা বাড়ার পর বিক্রি বাড়ে কি না।

হাজীপাড়ায় ভ্যানে ফুল বিক্রি করা মিজান জানান, ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ফুলের দোকান দিয়ে বসেছি। একটি লাল গোলাপ ভালোটা ৭০ টাকা, একটু দুর্বলটা ৫০ টাকা বিক্রি করছি। এছাড়া রজনীগন্ধার স্টিক, জারবেরাও ৫০ টাকা পিস বিক্রি করছি। আর দুই-তিন রকম ফুল দিয়ে বানানো তোড়া ১০০ টাকা বিক্রি করছি।

আগামীকাল কত করে বিক্রি করবেন? এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ভাই আমি আজ একদিনের জন্য দোকান দিয়েছি। যা বিক্রি করার আজই করবো। আগামীকাল দাম ৫ টাকা না ১০ টাকা হবে তা আমি জানি না।

দোকানটিতে ফুল কিনতে আসা মো. সজিব কিছুটা বিরক্ত নিয়ে বলেন, সকালে হাঁটতে বের হয়েছিলাম। সামনে দোকানটি দেখে ভাবলাম একটা গোলাপ কিনে বাসায় যাবো। কিন্তু একটা গোলাপের দাম ৫০-৭০ টাকা চাচ্ছে। এটা কীভাবে স্বাভাবিক হয়? বিরক্তিকর একটা বিষয়, তাই গোলাপ না কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

খিলগাঁও তালতলা মার্কেটের পাশে ফুল বিক্রি করা রফিক বলেন, আজ সব ফুলের দাম বেশি। আজ অনেকেই একদিনের ব্যবসার উদ্দেশ্যে দোকান দিয়ে বসেছে। আজ যারা ফুল কিনবে তারা এমনি এমনি কিনবে না, অনেকটা বাধ্য হয়ে কিনবে। তাই দাম যতই হোক যার কেনার সে কিনবে।

তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে ফুলের ব্যবসা করছি। দুই-তিন বছর ধরে ১৪ ফেব্রুয়ারি ফুল বিক্রি কম হচ্ছে। আগের মতো ফুল বিক্রি হলে এখন একটা গোলাপ ১০০-১৫০ টাকায় বিক্রি হতো। বিক্রি কম বলে এখন একটা গোলাপ ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বিক্রি বেড়ে গেলে এই গোলাপের দামই হুট করে দেখবেন ১০০ টাকা হয়ে গেছে।

দোকানটি থেকে গোলাপ কেনা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানভীর বলেন, একটা গোলাপ ৬০ টাকা দিয়ে কিনলাম। ৭০ টাকা দাম চাচ্ছিল, দামাদামি করে ১০ টাকা কমাতে পেরেছি। দাম অনেক বেশি বুঝতে পারছি, কিন্তু কিছু করার নেই, প্রিয় মানুষকে দেবো, তাই বাড়তি দাম দিয়েই কিনে নিলাম।
 

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

শেয়ার করুন: