দগ্ধ শিক্ষার্থী আয়মানও চলে গেলেন, মৃত্যু বেড়ে ৩২

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ শিক্ষার্থী আয়মান (১০) মারা গেছে।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান আয়মানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আয়মানের শ্বাসনালীসহ শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। ক্রিটিকাল অবস্থায় ছিল সে। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ঘটনাটিতে ইনস্টিটিউটে ১৪ জনের মৃত্যু হলো।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন আয়মানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অগ্নিদগ্ধ অন্তত ৫০ জন এখনো বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। হতাহতদের বেশিরভাগই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে মারা যায় শিশু মাহতাব রহমান ভূঁইয়া (১৪)। এর আড়াই ঘণ্টার ব্যবধানে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাহিয়া তাসনিম ওরফে মায়া (১৫)।
উল্লেখ্য, সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় ৩১ জন নিহত ও ১৬৫ জন আহত হওয়ার তথ্য দিয়েছিল আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)। প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে পোস্ট করা তালিকা থেকে দেখা যায়, এ ঘটনায় নিহত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১।
এ ছাড়া মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় মোট ২২ জন নিহত হয়েছেন। পরে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪-এ।
ভোরের আকাশ/জাআ