শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নতুন সরকারের যাত্রা শুরু আজ

মাজাহারুল ইসলাম

প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

শপথ গ্রহণের মধ্যদিয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের যাত্রা শুরু আজ মঙ্গলবার। সকাল ১০টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলে জানা যায়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণ শেষ হবার পরদিনই সংসদ নির্বাচনের নির্বাচিতদের ফলাফলের গেজেট বা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহনের মাধ্যমে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদের যাত্রা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে।

নিয়ম অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল বিএনপি সংসদীয় বোর্ডের সভা করবে। সেখানে সংসদীয় নেতা নির্বাচন করা হবে। পরবর্তী সময়ে দলীয় নেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক দাবি জানাবেন এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের আবেদন করবেন। রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন, যিনি পরবর্তী সময়ে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নির্বাচন করবেন। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন প্রথমে প্রধানমন্ত্রীকে এবং পরে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন। কাজেই বিকেল ৪টায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশ গ্রহণের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফসহ অনেক দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে বলে জানা যায়। এর বাইরে, সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ আরো অনেক ব্যক্তিবর্গ শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হতে যাওয়া বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার মন্ত্রিসভার আকার ছোট রাখার কথা ভাবছেন। বর্তমানে বাংলাদেশের সরকার কাঠামোতে যে ৪৩টি মন্ত্রণালয় রয়েছে, সেটির সংখ্যা কমিয়ে ত্রিশের নিচে নামিয়ে আনার কথা ভাবছেন তিনি।

এক্ষেত্রে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে যেসব মন্ত্রণালয়কে ভেঙে আলাদা করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কমানোর চিন্তা করা হচ্ছে। এছাড়া একই খাত নিয়ে কাজ করছে, এমন কিছু মন্ত্রণালয়কে একটি ছাতার নিয়ে আসার বিষয়টিও ভেবে দেখছে বিএনপি। শেষপর্যন্ত সেটি বাস্তবায়ন করা হলে সড়ক পরিবহন ও রেল একই মন্ত্রণালয়ের আওতায় চলে আসতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। নতুন মন্ত্রিসভায় দুই ডজনের মতো পূর্ণমন্ত্রী থাকতে পারে বলে ধারণা দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। এর বাইরে, এক ডজনের মতো উপমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী রাখা হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তারা।

এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ প্রবীন নেতাদের পাশাপাশি মেধাবী তরুণদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি'র নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা। এর মধ্যে তুলনামূলক কম বিতর্কিত ও অতীতে সফলভাবে মন্ত্রণালয় চালিয়েছেন-এমন অভিজ্ঞ নেতারা গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। অন্যদিকে, অভিজ্ঞতা নেই, কিন্তু মেধাবী-এ রকম তরুণ নেতারা পাচ্ছেন উপমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। 

বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাস, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুসহ আরও বেশ কয়েক জনের নাম আলোচনায় রয়েছে। নারীদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের নামও আলোচনায় রয়েছে।

এছাড়া তরুণ নেতাদের মধ্যে প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী হিসেবে যারা মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন, তাদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন, লক্ষ্মীপুর সদর আসন থেকে বিজয়ী বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, টাঙ্গাইল-৫ থেকে নির্বাচিত সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং ঢাকা-৬ আসনে জয়লাভ করা ইশরাক হোসেন।

যুগপৎ আন্দোলনে থাকা মিত্র দলগুলোর সাতজন নেতা নিজ দল ছেড়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেন। তাদের মধ্যে ঢাকা-১৩ আসন থেকে ববি হাজ্জাজ এবং লক্ষ্মীপুর-১ আসন থেকে শাহাদাত হোসেন সেলিম জয় পেয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী হিসেবে তাদের নামও আলোচনায় আছে। বিগত সময় বিএনপি'র সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলনে ছিলেন, সেই মিত্র দলগুলো থেকে মাত্র তিনজন জয় পেয়েছেন। তারা হলেন: বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিভ রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি এবং গণঅধিকার আন্দোলনের আহবায়ক নুরুল হক নুর। তারা তিনজনই নতুন মন্ত্রিসভায় ডাক পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বিএনপি'র নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা।

অন্যদিকে, সিনিয়র নেতাদের মধ্যে যারা এবারের মন্ত্রিসভায় থাকছেন না, তাদের মধ্যে কেউ কেউ জায়গা পেতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদে। তাদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা করা হতে পারে। কিন্তু আলোচনায় যাদের নামই থাকুক না কেন, মন্ত্রিসভায় শেষপর্যন্ত কাদের জায়গা হচ্ছে এবং কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, শপথ অনুষ্ঠানের পরই সেটি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে কমবেশি ১ হাজার ২০০ দেশি-বিদেশি অতিথি যোগ দিতে পারেন। নতুন সরকারের এই শপথ অনুষ্ঠানে থাকছে সার্কভূক্ত দেশসহ ১৩ দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান। বিদেশি অতিথিদের মধ্যে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবালসহ দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ দেশের প্রতিনিধিরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসছেন। আসছেন যুক্তরাজ্যের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রাও। তাদের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। 

তবে এনডিটিভি সূত্রে জানা গেছে, আমন্ত্রণ পেলেও মোদি ঢাকায় নাও আসতে পারেন। কারণ তার আগেই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠকের শিডিউল ঠিক করা রয়েছে। তার বদলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর অথবা ভাইস প্রেসিডেন্ট সিপি রাধাকৃষ্ণ শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটানের সরকার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানা যায়, নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে কমবেশি ১ হাজার ২০০ দেশি-বিদেশি অতিথি অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। সে অনুযায়ী আমন্ত্রণ কার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে। সার্বিক প্রস্তুতিও সেভাবে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের নতুন সরকারের এ শপথ অনুষ্ঠান ভূরাজনীতির দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে। কারণ বাংলাদেশের নতুন নেতা তারেক রহমান আঞ্চলিক ভারত, পাকিস্তান ও চীনসহ সব মিত্রের সঙ্গে সমান সম্পর্ক বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরে ভারতের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও শুক্রবার মোদির সঙ্গে তারেক রহমান কথা বলেন। ওই সময় মোদি তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান ও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার ইঙ্গিত দেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, খুব সম্ভবত (নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের) প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াবেন। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিকেল চারটায় মন্ত্রিসভার শপথ হবে বলে জানান আইন উপদেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত তিনি যতটুকু জানেন, এটি (মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ) রাষ্ট্রপতি পড়াবেন। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়টি বিএনপির পক্ষ থেকে ইচ্ছা প্রকাশ করা হয় বলে উল্লেখ করেন আইন উপদেষ্টা।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, শপথ অনুষ্ঠানে প্রথা অনুযায়ী যাঁদের আমন্ত্রণ জানানোর কথা, সেটাই করা হবে। এটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দেখছে। নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে সাধারণত প্রধান বিচারপতি, অন্যান্য বিচারপতি, জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ, তিন বাহিনীর প্রধানেরা, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, সাংবাদিক, কূটনীতিক এবং অন্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রসঙ্গে আইন উপদেষ্টা বলেন, এ সম্পর্কে তাঁর জানা নেই। শুধু শুনেছেন, এখন পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বলা হয়েছে। কোনো প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপারে তিনি জানেন না।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা বলেন, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি অংশ নেবেন। ভুটানের পক্ষে অংশ নেবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। এ ছাড়া পাকিস্তানের পক্ষে মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ খলিল ও শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নালিন্দা জয়াতিসা অংশ নিতে যাচ্ছেন। তবে কূটনৈতিক একটি সূত্র জানিয়েছে, শেষ মুহূর্তে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ খলিলের পরিবর্তে সে দেশের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু ঢাকায় আসতে পারেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানাগেছে, বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত শনিবার চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। অন্য দেশগুলো হচ্ছে সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভূটান।

দিল্লি থেকে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত শনিবার সন্ধ্যায় আমন্ত্রণ পেয়েছেন। তবে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী একই সময়ে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়া-এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণের কথা নরেন্দ্র মোদির। তাই প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তে লোকসভার স্পিকার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শপথ গ্রহণ

শেয়ার করুন: