শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শাহবাগে সংহতি সমাবেশ

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবি ২৯ রাজনৈতিক দলের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:০০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবি ২৯ রাজনৈতিক দলের
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবি ২৯ রাজনৈতিক দলের

রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত সংহতি সমাবেশে প্রায় ২৯টি রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টির (জাপা) নিবন্ধন বাতিল করে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে। আয়োজকরা জাপাকে আওয়ামী লীগের সহযোগী দল হিসেবে অভিযুক্ত করেন এবং ফ্যাসিবাদী রাজনীতির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক ঐক্যের আহ্বান জানান।

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে তিনটি দাবি উত্থাপন করা হয়—
১. গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি,
২. আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা,
৩. ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ।

সমাবেশে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল বলেন, “আওয়ামী লীগ আবার জাতীয় পার্টিকে ভর করে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে। কিন্তু জনগণের শক্তির কাছে সেই ষড়যন্ত্র সফল হবে না। শেখ হাসিনার অধ্যায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে চিরতরে শেষ হয়ে গেছে।”

জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এনসিপি, জাগপা, নেজামে ইসলাম পার্টি, গণসংহতি আন্দোলনসহ অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দলের নেতারা নুরের ওপর হামলাকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও জুলাই বিপ্লবের ওপর আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেন। তারা বলেন, “যেভাবে আওয়ামী লীগ পতিত হয়েছে, তাদের সহযোগী জাপাকেও রাজনীতি থেকে বিদায় নিতে হবে।”

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন বলেন, “আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের পতন হয়েছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের পতন হয়নি। ফ্যাসিবাদকে পুরোপুরি প্রতিহত করতে হবে।”

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান বলেন, “আওয়ামী লীগ যেমন অপরাধ করেছে, জাতীয় পার্টিও একই অপরাধে জড়িত। তাই তাদেরও রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।”

সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা মিছিল নিয়ে বিজয়নগরে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় কিছু নেতাকর্মী শাহবাগ মোড়ে টায়ারে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে এলাকাজুড়ে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। প্রায় ২০ মিনিট পর পুলিশ পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

সংহতি সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- জেএসডির কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, গণসংহতি আন্দোলনের বাচ্চু ভুঁইয়া, জমিয়তের গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, এনডিএমের মোহাম্মদ মোমিনুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মাদ মুনতাসির আলী, এনডিপির একাংশের কারী আবু তাহের, অপরাংশের আবদুল্লাহ আল হারুন সোহেল, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির শামসুদ্দিন পারভেজ, ডেমোক্রেটিক লীগের (ডিএল) খোকন চন্দ্র দাস, জনতার অধিকার পার্টির তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, পিএনপির ফিরোজ মাহমুদ লিটন, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মঞ্জুর মোর্শেদ মামুন প্রমুখ। সমাবেশে এনপিপির যুগ্ম মহাসচিব মো. ফরিদ উদ্দিনসহ গণঅধিকার পরিষদ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোরের আকাশ/হ.র

জাতীয় পার্টি

শেয়ার করুন: