শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫ বছরে শেয়ার বাজার থেকে লুট ১ লাখ কোটি টাকা: রুমিন ফারহানা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে গত ১৫ বছরে এক লক্ষ কোটি টাকার উপরে লুটপাট হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সাধারণ মানুষের সঞ্চয় ছিল, যা একটি বিশেষ গোষ্ঠী লুটে নিয়েছে।

এই লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) বিল’পাসের জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
রুমিন ফারহানা বলেন, ১৯৯৬ এবং ২০১০ সালে বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে ভয়াবহ ধস নামে।

এতে সাধারণ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা সর্বস্ব হারিয়েছেন। শ্বেতপত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ বছরে এই খাত থেকে এক লক্ষ কোটি টাকার বেশি লুট হয়েছে।
দুর্ভাগ্যবশত, এই লুটপাটের সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কখনোই বিচারের আওতায় আনা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের আমদানি-রপ্তানি পরিস্থিতি সংকটে এবং পুঁজিবাজারের ওপর মানুষের আস্থা নেই। এই পরিস্থিতিতে শেয়ার বাজারকে আস্থার জায়গায় ফেরাতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

একই বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, ২০১০ সালের শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। কোটি কোটি মানুষ তাদের পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছে। প্রস্তাবিত বিলে লুটপাটের শাস্তি মাত্র ৫ বছর জেল এবং ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা রাখায় তিনি আপত্তি জানান। এছাড়া, বিএসইসির সদস্যদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বিলটি জনমত যাচাইয়ের জন্য পাঠানোর প্রস্তাব দেন তিনি। তবে লিখিত প্রস্তাব না থাকায় ডেপুটি স্পিকার তা গ্রহণ করেননি।

সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সদস্য রুমিন ফারহানা যে বক্তব্য রেখেছেন, আমি তার প্রতিটি কথার সাথে একমত। শেয়ার বাজারে অতীতে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই লুটপাট ও অব্যবস্থাপনা দূর করতেই আমরা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৩ সালে যখন আইনটি করা হয়, তখন মানুষের গড় আয়ু ছিল ৫৭ বছর। বর্তমানে তা বেড়ে ৭২ বছরে দাঁড়িয়েছে। যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাজে লাগানোর জন্যই এই সংশোধন প্রয়োজন। বর্তমান সরকার পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং আন্তর্জাতিক ফান্ড ম্যানেজারদের আকৃষ্ট করতে আমরা কাজ করছি।

আরও পড়ুন

বিরোধী দলের আপত্তিতেও সংসদে দুটি বিল পাস

তিনি আরও দৃঢ়ভাবে বলেন, বিএনপি সরকারের আমলে যেমন শেয়ার বাজার লুটপাটের সুযোগ ছিল না, ইনশাল্লাহ এবারও তা থাকবে না। যারা লুটপাট করেছে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।

আলোচনা শেষে বিলটি কণ্ঠভোটে পাশ হয়। এর আগে সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ভোরের আকাশ/ এনউব

রুমিন ফারহানা

শেয়ার করুন: