শিরোনাম
১ সপ্তাহের মধ‍্যে গার্মেন্টস শিল্পে মজুরি বোর্ড: শ্রমমন্ত্রী‘মন খারাপ করার অধিকারও আপনার নেই, বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে’ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপি অসতর্কভাবে শব্দচয়ন করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীউন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহর করতে চাই: প্রধানমন্ত্রীনিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীরঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিতরমজানে স্বাভাবিক থাকবে নিত্যপণ্যের সরবরাহ, বাড়ছে না ভোজ্য তেলের দাম: বাণিজ্যমন্ত্রী১ সপ্তাহের মধ‍্যে গার্মেন্টস শিল্পে মজুরি বোর্ড: শ্রমমন্ত্রী‘মন খারাপ করার অধিকারও আপনার নেই, বললে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে’ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপি অসতর্কভাবে শব্দচয়ন করেছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীউন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীরঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহর করতে চাই: প্রধানমন্ত্রীনিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীরঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিতরমজানে স্বাভাবিক থাকবে নিত্যপণ্যের সরবরাহ, বাড়ছে না ভোজ্য তেলের দাম: বাণিজ্যমন্ত্রী

সরকারের অভিলাষ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ চরমোনাই পীরের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৫, ২:৩৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
সরকারের অভিলাষ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ চরমোনাই পীরের
সরকারের অভিলাষ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ চরমোনাই পীরের

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অফিস স্থাপনকে কেন্দ্র করে সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। রোববার (২০ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ শঙ্কা প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সরকারের অভিলাষ আমাদের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। কেন জাতিসংঘের নিজস্ব অফিসের জন্য বরাদ্দ সুবিধার চেয়েও বেশি সুযোগ-সুবিধা দিয়ে এ দেশে তাদের একটি কমিশন অফিস স্থাপন করতে হবে—তা বোধগম্য নয়। এই অফিসের লক্ষ্য, নীতি ও কর্মকৌশল স্পষ্ট নয়।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে কোনো যুদ্ধাবস্থা বা জাতিগত সহিংসতা নেই। এমন শান্তিপূর্ণ দেশে এই ধরনের কার্যালয় খোলার কোনো যৌক্তিকতা নেই। বরং এটি দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। “অতএব অবিলম্বে এই কার্যালয় স্থাপনের অনুমতি বাতিল করতে হবে। অন্যথায় আমাদের রাজপথে নামতে বাধ্য হতে হবে,”—হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

বিবৃতিতে জাতিসংঘকে ‘ব্যর্থ সংস্থা’ হিসেবেও উল্লেখ করেন চরমোনাই পীর। তিনি বলেন, “ফিলিস্তিন, ইয়েমেন, আরাকান এবং আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের সময় জাতিসংঘের ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো নিষ্ক্রিয়। এই ধরনের একটি সংস্থার অফিস এ দেশে খোলা অনর্থক ও বিপজ্জনক।”

চরমোনাই পীর বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে বর্তমান সরকারকে ফ্যাসিবাদের বিচার, প্রশাসনিক সংস্কার এবং একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য তার দল সমর্থন দিয়ে এসেছে। কিন্তু বাস্তবে সরকার কোনো দিকেই অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। বরং অগ্রাধিকার পাওয়ার মতো বিষয় উপেক্ষা করে এখন জাতিসংঘের কার্যালয় নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সরকার।

তিনি আরও বলেন, পশ্চিমা বিশ্ব মানবাধিকারের নামে এমন কিছু বিষয়কে সমর্থন করে, যা বাংলাদেশের সমাজ-সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। যেমন—সমকামিতা, গর্ভপাত, ট্রান্সজেন্ডার স্বীকৃতি ও মৃত্যুদণ্ড বাতিলের মতো বিষয়। “এই মূল্যবোধগুলোকে আমাদের সমাজে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হবে এবং বাধা আসলে আমাদের মানবাধিকারবিরোধী হিসেবে প্রমাণ করতে তৎপর হবে কমিশনটি,”—মন্তব্য করেন তিনি।

চরমোনাই পীর এটিকে ‘ভয়ংকর বিষবৃক্ষ রোপণের’ সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এর ভয়াবহতা আমাদের জাতিকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করতে হতে পারে।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: