ভোটের আবহে দেশ

দেশব্যাপী বইছে ভোটের হাওয়া। উৎসাহ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের মধ্যদিয়ে আজ সকাল ৭টায় শেষ হয়েছে প্রচার-প্রচারণা। আর মাত্র একদিন পরই ভোট উৎসবে অংশ নেওয়ার অপেক্ষায় মুখিয়ে আছে দেশের সকল শ্রেণি, পেশা ও ধর্মের মানুষ। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোট সম্পন্ন করতে দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে সারা দেশের ভোটকেন্দ্রে ওড়ানো হবে ১ হাজার ড্রোন। নির্বাচনী সহিংসতা রোধে এবং দুর্গম জনপদে কড়া নজরদারি নিশ্চিত করতে এমন নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছে ইসি। নির্বাচন পর্যবেক্ষনে থাকছেন বিদেশি পর্যবেক্ষক প্রায় ৪০০ জন এবং দেশীয় পর্যবেক্ষক ৫০ হাজার। জাতিকে ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ভোট উপহার দেওয়ার জোর দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে এবারের সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে ৫১টি দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে প্রায় দুই হাজার তিন শতাধিক প্রার্থী রয়েছে। এবারে নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। ৩০০ আসনে প্রায় ৪২ হাজার ৭৭৯ ভোটকেন্দ্র। ভোট ঘিরে ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে ৭ দিনের জন্য। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্বাচনী আচরণবিধি দেখার পাশাপাশি সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধে কাজ করবেন।
এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্ট্রাইকিং ফোর্স বিশেষ করে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে দায়িত্বপালন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন দেশের কারাবন্দিরা।
কারা সূত্রে জানা গেছে, দেশের ৭৫টি কারাগারে থাকা মোট ৮৬ হাজার ৩০০ বন্দির মধ্যে ৬ হাজার ২৪০ জন পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন অনুমোদন দিয়েছে ৫ হাজার ৯২০ জনকে। অনুমোদিতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৬৭ জনের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি বন্দিদের ভোট গ্রহণ শেষ করে ব্যালটগুলো নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে পাঠানো হবে বলে কারা সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে, ১২৪টি দেশে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছিল। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ প্রবাসীকে পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল সকাল পর্যন্ত ব্যালট হাতে পেয়েছেন ৫ লাখ ২৭ হাজার ৮২৪ জন প্রবাসী। যার মধ্যে চার লাখ ৬০ হাজার ব্যালট ডাকযোগে দেশে পোঁছেছে বলে ইসির ওসিভি-এসডিআই প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন রাষ্ট্রপতি : পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে পাবনা-৫ আসনে (সদর) ভোট দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। গতকাল বঙ্গভবনে তিনি এ ভোট দেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপ্রধানের সহকারী একান্ত সচিব মোহাম্মদ সাগর হোসেন। নতুন পদ্ধতিতে ইতোমধ্যে কারাগার থেকে ভোট দিয়েছেন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, এমপি, আমলা, পুলিশ, সাংবাদিকসহ ২০ জন।
কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন জানান সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, আমলা ও সাংবাদিকদের মধ্যে ৪০ জন ভোট দিতে নিবন্ধন করেছিলেন। ‘এই ৪০ জনের মধ্যে ২০ জন এখন ভোট দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। বাকিরা নিয়ম অনুযায়ী ভোট দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, দেশে উৎসাহ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনের প্রচারণা শেষ। আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাস ও সংস্কৃতির জন্য এটি খুবই ইতিবাচক পরিবর্তন। এখন পর্যন্ত প্রস্তুতি পর্ব খুব ভালোভাবে সম্পন্ন। আমরা সন্তুষ্ট, উই আর ভেরি হ্যাপি। তিনি বলেন, আমাদের জন্য এখন চ্যালেঞ্জ হচ্ছে টু মেক ইট পারফেক্ট। ভোটটা যাতে পারফেক্ট হয়, সেটা হচ্ছে আমাদের জন্য এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।
প্রেস সচিব বলেন, পুলিশকে বডি ওর্ন ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। সারাদেশে প্রায় ৪৩ হাজার ভোট কেন্দ্র, তার মধ্যে ২৫ হাজার সাতশ’ বডি ওর্ন ক্যামেরা দেওয়া হচ্ছে।
ভোট উৎসবকে পূর্ণতা দিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরপেক্ষ থেকে নিরলস কাজ করছেন বলছেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. নিজামূল কবীর। তিনি বলেন, শতভাগ সততা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে ভোট উৎসবকে সফল করতে হবে।
তিনি বলেন, বিগত ১৫-১৬ বছরে দেশের জনগণ প্রকৃত অর্থে স্বাধীন ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি। এ থেকে উত্তরণ ঘটাতে হলে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে একটি সর্বজনগ্রাহ্য, অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে হবে।
নির্বাচনে শুরু থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে ইসি। এবার নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে সেনাবাহিনী ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় আগে থেকেই সারা দেশে মোতায়েন আছে। এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটকেন্দ্রিক দায়িত্ব পালন শুরু করেছে তারা। সারাদেশে বিভিন্ন স্থানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। নির্বাচন উপলক্ষে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তারাও মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছেন। ভোট কারচুপির কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। খুব শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে বলছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি এবং কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হবে। স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে। এবার বিভিন্ন বাহিনীর মোট প্রায় ৯ লাখ সদস্য নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) প্রায় সাড়ে ৫ লাখ সদস্য ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন থাকবে। পুলিশের প্রায় দেড় লাখ, সশস্ত্র বাহিনীর ১ লাখ এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৫ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হবে।
পরিপত্রে বলা হয়, নির্বাচনি এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র্যাব, এপিবিএন এবং আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানাভিত্তিক কাজ করবে। আর উপকূলীয় এলাকার জন্য কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে। সকল বাহিনী রিটার্নিং অফিসারের কাছে রিপোর্ট করবে, তার নির্দেশ এবং পরামর্শ অনুসারে দায়িত্ব পালন করবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী, এ নির্বাচনে মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সারাদেশে প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৭ জন নিরাপত্তা সদস্য এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন মোতায়েন থাকবে। আর মেট্রোপলিটন এলাকার সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন থাকবেন। দুর্গমঘোষিত ২৫ জেলার নির্দিষ্ট এলাকার ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৮ জন করে সদস্য মোতায়েন হবে। এসব সদস্য ভোটগ্রহণের দুদিন আগ থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ১৬ হাজার : পুলিশের তথ্যানুযায়ী, এবারের নির্বাচনে সারা দেশে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ১৬ হাজার ৩৫৯টি। ঝুঁকি নেই, এমন ভোটকেন্দ্র (সাধারণ) ১৭ হাজার ৬৫৬। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী, এবার মহানগর এলাকার বাইরে সারা দেশে প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৬ থেকে ১৭ জন সদস্য এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ থেকে ১৮ জন মোতায়েন থাকছে। আর মহানগর এলাকার সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন থাকছে। দুর্গমঘোষিত ২৫ জেলার নির্দিষ্ট এলাকার ভোটকেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৮ জন করে সদস্য মোতায়েন থাকছে।
ভোটকেন্দ্রে ওড়ানো হবে ১ হাজার ড্রোন : ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে সারা দেশের ভোটকেন্দ্রে ওড়ানো হবে ১ হাজার ড্রোন। নির্বাচনি সহিংসতা রোধে এবং দুর্গম জনপদে কড়া নজরদারি নিশ্চিত করতে এমন নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছে ইসি। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প, পার্বত্য অঞ্চল এবং সীমান্তবর্তী টেকনাফ থেকে ফেনী পর্যন্ত এই বিশেষ নজরদারি করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেন, বিমান বাহিনীর কারিগরি সহায়তায় এই ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। তিনি বলেন, এই ড্রোনগুলো ‘স্যাটেলাইট’ বা উপগ্রহের মতো কাজ করবে, যা সরাসরি প্রধান নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে স্থাপিত কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেলে রিয়েল টাইম তথ্য ও ভিডিও পাঠাবে।
ইসির সূত্রগুলো জানিয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে কেবল প্রযুক্তি নয়, মাঠে সক্রিয় থাকবে ডিজিএফআই, এনএসআই, র্যাব ও বিজিবিসহ মোট ২১টি আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থা। ড্রোনের মাধ্যমে কোনো ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা, অস্ত্র প্রদর্শন বা গোপন তৎপরতা নজরে এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে এই বাহিনীগুলো। পুরো প্রক্রিয়া সমন্বিতভাবে পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হবে বিশেষায়িত ‘ই-মনিটরিং’ অ্যাপ।
ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দুর্গম পাহাড় ও চরাঞ্চলে প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হবে। অনুরূপভাবে, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বা নাশকতার চেষ্টা চললে ড্রোনের মাধ্যমে শনাক্ত করে সরাসরি অ্যাকশনে যাবে বাহিনী। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কক্সবাজার ও টেকনাফ অঞ্চলে রোহিঙ্গা ভোটার বা বহিরাগতদের প্রভাব বিস্তার ঠেকাতে বিশেষ স্কোয়াড কাজ করবে। ড্রোন থেকে প্রাপ্ত ভিডিও এবং তথ্য ইসির আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল আরো বলেন, আমরা নির্বাচনের মাঠ পুরোপুরি স্বচ্ছ রাখতে চাই। পাহাড় কিংবা সীমান্ত- কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে আমাদের ড্রোন তা সেকেন্ডের মধ্যে ইসির নজরে আনবে এবং তৎক্ষণাৎ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ প্রসঙ্গে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার যদি তাদের দায়িত্বের শেষ পর্যায়ে একটি সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে পারে, তাহলে সেই অর্জন ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ভোরের আকাশ/এসএইচ