শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কৌশলী অবস্থানে বিএনপি

মাজাহারুল ইসলাম

প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি- এমনটাই ভাবছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকসহ রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বিগত নির্বাচনগুলোতে জোটের খাতিরে এমন অনেক প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল যাদের জয়ের সম্ভাবনা ছিল ক্ষীণ। এবার আর সেই ঝুঁকি নিতে চায় না দলটি। কাজেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা ও কৌশলী অবস্থান তৈরি করেছে সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বা আরপিও। 

আরপিও’র নতুন বিধান এবারের নির্বাচনে জোটের সমীকরণকে অত্যন্ত জটিল করে তুলেছে। অতীতে জোটের শরিক দলগুলোর নেতারা জোটের শীর্ষ দলের প্রতীক ব্যবহার করে ভোটে অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু ইসির সংশোধিত নিয়মে নিবন্ধিত দলগুলো জোটবদ্ধ হলেও ব্যালট পেপারে তাদের লড়তে হবে নিজস্ব প্রতীকেই। আইনি এই বাধ্যবাধকতার কারণে ভোটের মাঠে প্রতীকের বিষয়টি এবার বিএনপির কাছে এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে মনে করছেন রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্লেষকদের মতে, ছোট দলগুলোর প্রতীকে নেতাকর্মীদের অনাগ্রহ থাকবে। এছাড়া কেউ যদি দলের বাহিরে যেয়ে প্রার্থী হয়, তাহলে উক্ত আসনটি হারাতে হতে পারে। তাই শরিক দলগুলোর যে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং ভোটে জয় পেতে পারে তাকেই জোট থেকে মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর যেসব দলের নেতারা প্রার্থী হওয়ার যোগ্য তবে জয় পাওয়ার সম্ভাবনা নেই, তাদেরকে জোটের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ ভাবছেন এই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছে, জোটের শীর্ষ নেতাদের আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা করায় মিত্রদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এবার খুব সতর্ক ও কৌশলী অবস্থান নিয়েছে বিএনপি। ইতোমধ্যেই বিএনপি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৭২টি আসনে এককভাবে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

দলীয় সূত্র মতে, শেষ পর্যন্ত মিত্রদের জন্য সর্বোচ্চ ১৩টি আসন ছাড়া হতে পারে। এতেই ক্ষোভ, হতাশা ও চরম অসন্তোষ দানা বেঁধেছে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত মিত্র দলগুলোর মধ্যে। প্রশ্ন উঠেছে, ভোটের রাজনীতির এই জটিল সমীকরণে বিএনপি কি তার মিত্রদের তুষ্ট করতে পারবে, নাকি নির্বাচনের আগেই ফাটল ধরবে দীর্ঘদিনের এই মিত্রতায়? বিগত ১৫ বছর ধরে আওয়ামী আধিপত্যের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতৃত্বাধীন যুগপৎ আন্দোলনে  সঙ্গে ছিল যেসব দলগুলো, সেগুলোকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে চায় বিএনপি। কিন্তু ভোটের মাঠে কিছু দলের নেতাদের প্রভাব এবং জনপ্রিয়তা না থাকায় গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা থেকেই বিভিন্ন কৌশল নিচ্ছে বিএনপি।

বিএনপির নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, ভোটের মাঠে শরিক দলগুলোর নিজস্ব প্রতীক ভোটারদের কাছে পরিচিত করানো এবং সেই প্রতীকে ধানের শীষের ভোটারদের ভোট দেওয়ানো অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। ধানের শীষের পক্ষে নেতাকর্মীদের যেভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নামানো সম্ভব, অন্য দলের অচেনা প্রতীকের পক্ষে সেভাবে নামানো মাঠপর্যায়ে প্রায় অসম্ভব। এই আইনি মারপ্যাঁচ মিত্রদের জন্য অস্তিত্বের সংকট তৈরি করেছে। মিত্রদের আসন ছাড়ার ক্ষেত্রে তাই বিএনপি এবার সংখ্যার চেয়ে প্রার্থীর ‘জয়ের সক্ষমতা’কেই মানদণ্ড হিসেবে ধরছে। দলটির নীতিনির্ধারকদের মনে করছেন-শরিকদের কেবল মনোনয়ন দেওয়াই শেষ কথা নয়, তাদের বিজয় নিশ্চিত করে সংসদে আনাই মূল লক্ষ্য। মিত্রদের সামলানোর জন্য বিএনপি এবার এক অভিনব কৌশল অবলম্বন করছে। যেসব শরিক নেতার এলাকায় নিজস্ব ভোটব্যাংক কম বা দলীয় প্রতীকে জেতার সম্ভাবনা ক্ষীণ, তাদের বিএনপি সরাসরি দলে যোগ দিয়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে নির্বাচন করার প্রস্তাব দিচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এর মাধ্যমে বিএনপি মিত্রদের সংসদে আনতে চায় ঠিকই, কিন্তু তা নিজেদের দলীয় কাঠামোর ভেতরে রেখে। ইতোমধ্যে ১২ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ বিএলডিপির প্রধান নেতা শাহাদাত হোসেন সেলিম দল বিলুপ্ত ঘোষণা করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন এবং তাকে লক্ষ্মীপুর-১ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। একইভাবে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) নেতা ববি হাজ্জাজ ঢাকা-১৩ আসন থেকে নির্বাচন করবেন এবং তার ক্ষেত্রেও একই পন্থা অনুসরণ করা হতে পারে বলে জোর আলোচনা রয়েছে।

যেসব শরিকদের আসন ছাড় দেওয়া সম্ভব না, তাদের জন্য বিএনপি একটি বিকল্প প্রস্তাবনা নিয়ে কাজ করছে বলেও দলের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে। বিএনপির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, শরিকদের মধ্যে যারা জ্যেষ্ঠ নেতা আছেন, যারা জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু ভোটের মাঠে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম, তাদের জন্য জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দায়িত্ব দেওয়ার চিন্তা করছেন বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা।

বিএনপি তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা চালু করা হবে। সেখানে এইসব ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে। তবে মিত্র দলগুলোর নেতারা নগদ প্রাপ্তি অর্থাৎ সংসদীয় আসন নিশ্চিত করতেই বেশি আগ্রহী। ভবিষ্যতের এই প্রতিশ্রুতি তাদের বর্তমান অসন্তোষ কতটা কমাতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা।

বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র ও নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, বাকি থাকা ২৮টি আসনের মধ্যে মিত্রদের জন্য প্রাথমিকভাবে যাদের জন্য আসন ছাড়া হতে পারে।

চরম হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, প্রার্থী ঘোষণার আগে যে আলোচনার দরকার ছিল, বিএনপি তা করেনি। যে আসনে আমি নির্বাচন করতে চেয়েছি, সেখানে প্রার্থী দেওয়ার আগে আমার সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজনটুকুও বিএনপি মনে করেনি।
আসন্ন নির্বাচনের আগে হাতে সময় আছে মাত্র দুই মাস।

অথচ আসন ভাগাভাগির বিষয়টি এখনো সুরাহা না করায় শরিক দলগুলোর অভিযোগ, বিএনপি ইচ্ছা করেই বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছে যাতে শেষ সময়ে এসে শরিকরা আর দরকষাকষি করতে না পারে। এই দীর্ঘসূত্রতা মিত্রদের নির্বাচনী প্রস্তুতিতে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। শেষ মুহূর্তে প্রার্থী ঘোষণা করলে বা আসন পেলে মাঠে প্রচার-প্রচারণা চালানো এবং ভোটারদের কাছে পৌঁছানো তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে বলে জানাচ্ছেন তারা। এতে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হতে পারে শরিকদের। তবে মিত্রদের ক্ষোভের মাঝেই আশার আলো দেখছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।

তিনি মনে করেন, এখনো আলোচনার সুযোগ ও জায়গা এখনো শেষ হয়ে যায়নি। অন্যদিকে, সংকট নিরসনে আশার বাণী শোনাচ্ছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারাও। নির্বাচনের আগে জোট-প্রার্থী ও মনোনয়ন নিয়ে এমন টানাপোড়েন খুবই স্বাভাবিক ঘটনা বলে মনে করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, আমাদের কমিটি এসব সমস্যা সমাধানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সব ভুল বোঝাবুঝি অচিরেই কেটে যাবে। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই বিএনপি সামনের দিকে এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শরিকদের কাক্সিক্ষত আসনগুলো যেখানে বিএনপি ইতোমধ্যে তাদের দলীয় প্রার্থীকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছে, সেগুলোর মধ্যে দু-একটিতে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার চিন্তাভাবনা করছে দলটি। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিকভাবে ফ্যাসিবাদবিরোধী জোটের ঐক্য ধরে রাখতে চায় দলটি। তাই মিত্রদের মধ্যে যাদেরকে শেষ পর্যন্ত আসন ছাড়া সম্ভব হবে না, সরকার গঠন করলে তাদেরকে যোগ্যতা অনুযায়ী যথাযথ মূল্যায়ন করার ইচ্ছাপোষণ করেছে দলের হাইকমান্ড।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেন, নির্বাচনী জোট ও আসন বণ্টন নিয়ে তো আলোচনা এখনো শেষ হয়ে যায়নি। আলোচনা চলছে, তা অব্যাহতও থাকবে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বিএনপির সঙ্গে আমাদের আলোচনাই হলো না। বিএনপি এর মধ্যে নিজেদের ২৭২ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। তাহলে আমরা দাঁড়াচ্ছি কোথায়? বিএনপি বলেছে একসঙ্গে নির্বাচন করবে, একসঙ্গে সরকার করবে। এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, মিত্রদের সঙ্গে কোনো ধরনের টানাপোড়েন চায় না বিএনপি। মিত্রদের যথাযথ মূল্যায়ন করবে দলটি। সেজন্য ঐক্য ঠিক রেখে এর সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বিএনপির ওই সূত্র জানিয়েছে। আসন ভাগাভাগি নিয়ে মিত্রদের সঙ্গে চলমান দূরত্ব মেটাতে আজ শনিবার বৈঠক ডেকেছে বিএনপি। সকাল ১১ বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির সঙ্গে ৪০টির বেশি দল ২০২২ সাল থেকে আন্দোলন করেছে। আমরা নিপীড়ন, রিমান্ড, নির্যাতন সবকিছু সহ্য করেছি। এখন নির্বাচন সামনে প্রত্যেক দলেরই প্রত্যাশা আছে।

তিনি বলেন, বিএনপি তাদের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে এবং শরিকরাও দলগতভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এখন মূল আলোচনা হবে কতটি আসন শরিকদের জন্য ছাড়া হবে, এ বিষয়ে তারা সঠিক ও ন্যায্য সিদ্ধান্ত আশা করেন।

শরিকদের মধ্যে কাঙ্খিত আসন না পাওয়া গেলে সম্পর্ক ভাঙতে পারে এমন প্রশ্নে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, আমরা কখনো বিএনপিকে শর্ত দিইনি যে আসন না দিলে লড়ব না। আমাদের লক্ষ্য ছিল শেখ হাসিনার পতন। ৩১ দফা ও জাতীয় সরকারের প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে আমরা একসঙ্গে লড়েছি। আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হবে।

তিনি আরও বলেন, কয়টি আসন পাব এখনই বলতে পারছি না। তবে আমরা বিএনপির সঙ্গে আছি, থাকব।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

বিএনপি

শেয়ার করুন: