শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

"নতুন সরকার পেলেও নতুন দেশ এখনও পাইনি": নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৫, ১:৪৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
"নতুন সরকার পেলেও নতুন দেশ এখনও পাইনি": নাহিদ ইসলাম
"নতুন সরকার পেলেও নতুন দেশ এখনও পাইনি": নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, "আমরা নতুন সরকার পেয়েছি ঠিকই, কিন্তু এখনও নতুন দেশ পাইনি।" তিনি জানান, নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে না তোলা পর্যন্ত এনসিপির আন্দোলন চলতেই থাকবে।

শনিবার (২৬ জুলাই) রাত ৯টায় কিশোরগঞ্জে আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, "গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পরও জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হয়নি। সমাজে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতি এখনো বিরাজমান। শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার ব্যবস্থাকে সংস্কার না করে পুরোনো কাঠামো ধরে রাখা হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম নতুন সরকার, নতুন সংবিধান ও নতুন রাষ্ট্র।"

তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে নাগরিক সুবিধা পৌঁছাবে—এটাই আমাদের স্বপ্ন ছিল। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে কিন্তু শিক্ষক নেই, হাসপাতাল আছে কিন্তু চিকিৎসক নেই। কিশোরগঞ্জ রাষ্ট্রপতি পেলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের অধিকার পায়নি। বাজেট আছে, কিন্তু রাস্তা নেই। এই রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতেই দেশ তুলে দিয়েছিলেন এবং মানুষের মানবাধিকার ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছিলেন।"

তিনি কিশোরগঞ্জবাসীকে স্মরণ করিয়ে বলেন, "এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল এই জনপদের মানুষরাই।"

তরুণদের গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, "বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থান তরুণদের নেতৃত্বেই হয়েছিল। সেই তরুণদের উপর ভরসা রেখেই আমাদের এগোতে হবে। তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগাতে না পারলে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।"

তিনি আরও অভিযোগ করেন, "আজও কিশোরগঞ্জে গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মামলার অনেক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়নি। শহীদ পরিবার ও আহতদের আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা হুমকি দিচ্ছে। আমরা দেখতে চাই, কারা এই সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।"

এর আগে, রাত ৮টায় কিশোরগঞ্জ শহরের পুরাতন স্টেডিয়াম থেকে পদযাত্রা শুরু করে পুরানথানা এলাকায় সমাবেশস্থলে পৌঁছান নেতাকর্মীরা। এনসিপির কর্মসূচিকে ঘিরে শহরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সমাবেশ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই প্রধান সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমীন, যুগ্ম সদস্য সচিব আহনাফ সাঈদ খান, দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক আকরাম হোসেন রাজ, উত্তরাঞ্চলের সংগঠক খায়রুল কবিরসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

এছাড়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক ইকরাম হোসেন ও সদস্য সচিব ফয়সাল প্রিন্স উপস্থিত ছিলেন।

ভোরের আকাশ//হ.র

শেয়ার করুন: