শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গণভোটের রায় আদায় করেই ছাড়বো: ডা. শফিকুর রহমান

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান হুশিয়ারি উল্লেখ করে বলেন, এই সংসদ মানুক আর না মানুক, গণভোটের রায় আমরা বাস্তবায়ন করবো এবং আদায় করেই ছাড়বো।

সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান সংসদে সদস্য হিসেবে যারা প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন, তাদের সকলেই মজলুম। এদের মধ্যে কেউ জেল খেটেছে, কেউ আয়নাঘরে ছিল, কেউ ফাঁসির মঞ্চ থেকে ফিরে এসেছে।

আবার কেউ নির্বাসনের পরেও দেশে ফিরে এসেছে। এরকম লোকদের নিয়েই আমাদের বর্তমান সংসদ।

তিনি বলেন, এই সংসদ যদি মজলুম জনগণের দু:খ না বুঝে, তাহলে কোন সংসদ বুঝবে? ৫৪ বছরের দফায় দফায় যে ফ্যাসিবাদ বাঙালি জাতিকে এগিয়ে যেতে দেয়নি, সেই ফ্যাসিবাদকে ২৪ এর বিপ্লবীরা বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে মেরেছিল। নালা-নর্দমায় ফেলে দিয়েছিল।

বিরোধীদলীয় এ নেতা বলেন, মনে রাখা দরকার, এ প্রজন্ম যখন জেগে উঠে, তখন মাসের পর মাস, বছরের পর বছর আর আন্দোলন করার প্রয়োজন হয় না। তখন তাদের বুক চিতিয়ে দেওয়া যুদ্ধই ফ্যাসিবাদীদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এ প্রজন্মের অবস্থান এখনো স্পষ্ট। আমরা তরুণদের সাথে আছি, তারাও আমাদের সাথে আছে।

আমরা কথা দিচ্ছি, যেকোনো মূল্যে ফ্যাসিবাদকে আমরা বাংলাদেশ আর ফিরে আসতে দিবো না।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জেনজিরা একজনকে সরিয়ে আরেকজনকে বসানোর জন্য আন্দোলন করেনি। ব্যক্তি এবং লিঙ্গের পরিবর্তনের জন্য এ আন্দোলন লড়াই করেনি। যে বন্দোবস্ত ফ্যাসিবাদের যাঁতাকলে জাতিকে পিষ্ট করেছে, সেটার বিরুদ্ধে এবং ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য তারা যুদ্ধ করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, ন্যায় এবং ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে হলে, আগে দলের ভেতরে ইনসাফ এবং গণতন্ত্রের চর্চা হতে হবে।

যারা নিজের দলের মধ্যে গণতন্ত্র চর্চা করতে পারে না, যাদের নিজেদের নেতাকর্মীদের কাছে নিজেরাই নিরাপদ নয়, তারা ১৮ কোটি মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারবে না। তারা জনগণকে গণতন্ত্র উপহার দিতে পারবে না, ন্যায় এবং ইনসাফ জাতিকে উপহার দিতে পারবে না।

জামায়াতে ইসলামীর আমীর বলেন, ২৪ এ জনগণ ঠিকই রায় দিয়েছে। হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন রায় যদি আপনারা পেয়ে থাকেন তাহলে সরকার গঠন করতে পারেননি কেন। আমাদের রায়কে হাইজ্যাক এবং ডাকাতি করা হয়েছে। জনগণকে অপমান করা হয়েছে এবং ইতিমধ্যে তার রাজ সাক্ষীও পাওয়া গেছে। বলবেন জনগণ আপনাদেরকে ভোট দিয়েছে তার প্রমাণ কি? ৭০ শতাংশ মানুষ 'হা' এর পক্ষে রায় দিয়েছে, এটাই তার প্রমাণ। আমরা 'হা'র পক্ষে ছিলাম এবং 'হা'র পক্ষে আছি।

তিনি আরও বলেন, এই সংসদ মানুক আর না মানুক, গণভোটের রায় আমরা বাস্তবায়ন করবো এবং আদায় করেই ছাড়বো। আমরা চেয়েছি, সংসদের ভেতরে ইতিবাচক এবং গঠনমূলক বিতর্কের মধ্য দিয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হোক। কিন্তু, এই সংসদ আমাদের আকাঙ্ক্ষাকে উপলব্ধি এবং সম্মান করতে ব্যর্থ হয়েছে। সেজন্য আমরা জনগণের রায় বাস্তবায়নের জন্য জনগণের কাছেই ফিরে যাচ্ছি।  

জামায়াত নেতা বলেন, আমরা জনগণকে কথা দিচ্ছি, আমরা যে ৭৭ জন আপনাদের হয়ে সংসদে প্রবেশ করেছি, আমরা ১৮ কোটি মানুষকেও পাহারা দিবো এবং সংসদের ভিতরে যাতে কেউ জাতির কপাল নিয়ে ছিনিমিনি করতে না পারে সেটিরও পাহারা দিবো। আমরা কোন অন্যায়ের কাছে মাথানত করবো না এবং কোনও ছাড়ও দিব না।  

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যেদিন গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হয়েছে, সেদিন থেকে আবারও বাংলাদেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। আমরা এই যাত্রা থামিয়ে দিবো, ইনশাআল্লাহ।

আলোচনা সভায় এসময় জাগপা'র মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ভোরের আকাশ/আ.র

ডা. শফিকুর রহমান

শেয়ার করুন: