বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়

দুই-একটি বিছিন্ন ঘটনার মধ্যদিয়ে সারাদেশে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই নির্বাচনে গণতন্ত্রের ঐতিহাসিক বিজয় হয়েছে- যা ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। উৎসবের এই নির্বাচন মধ্যদিয়ে নতুন বাংলাদেশের এক অভূতপূর্ব যাত্রা শুরু হলো। যা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারসহ স্বর্নিভর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে-প্রত্যাশা দেশবাসীর। ভোটদান প্রক্রিয়া সকাল সাড়ে সাতটায় শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত। তিনশত আসনের মধ্যে একটি আসন (শেরপুর-৩ আসন) বাদে ২৯৯ সংসদীয় আসনে একযোগে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২৯৯ আসনের মধ্যে ১৯২ আসনের প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপি বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।
১৯২টি আসনের ঘোষিত ফলাফলের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-১৪৯টি, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১দলীয় ঐক্য-৪২টি, স্বতন্ত্র ও অন্যান্য-১টি। সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণের দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির এক নেতা, এক প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, এক পোলিং কর্মকর্তাসহ অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে, কেউ ভোট দিয়ে ফেরার পথে এবং কেউ কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কোথাও মৃত্যুকে ঘিরে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগও উঠেছে।
এছাড়া এ নির্বাচনের ভোট চলাকালে নানা অনিয়মের অভিযোগে দেশের ১২টি জেলায় অন্তত ৩৪ জনকে আটক করা হয়। তবে দেশের ইতিহাসে একটি সেরা নির্বাচন হয়েছে বলছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। গণভোট ও সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকলকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইসঙ্গে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় আজ (শুক্রবার) সারা দেশে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।
সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোট শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় সমগ্র জাতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দলসমূহের দায়িত্বশীল আচরণ, প্রার্থীদের সংযম ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের পেশাদারিত্ব-এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই প্রমাণ করেছে যে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অটুট।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, পর্যবেক্ষক দল, গণমাধ্যমকর্মী এবং ভোটগ্রহণে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ জানান।
ইসির সূত্র মতে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী সংখ্যা ১ হাজার ৭৫৫ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। নারী প্রার্থী ৮৩ জন (দলীয় ৬৩ জন এবং স্বতন্ত্র ২০ জন)। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এই দলটির প্রার্থী সংখ্যা ২৯১ জন।
ইসি সচিবালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনে ১৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। আর সবচেয়ে কম প্রার্থী ছিল পিরোজপুর-১ আসনে মাত্র ২ জন। সারাদেশের ভোটকেন্দ্র ছিল ৪২ হাজার ৭৭৯টি। এসব কেন্দ্রে ভোটকক্ষ ছিল ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি। ২৯৯টি আসনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৩ জন।
এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং হিজড়া ১ হাজার ২৩২ জন। সর্বনিম্ন ভোটার ছিল ঝালকাঠি-১ আসনে। মাত্র ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন আর সর্বোচ্চ ভোটার গাজীপুর-২ আসনে ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা ৬৯ জন, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ৫৯৮ জন, প্রিজাইডিং অফিসার ৪২ হাজার ৭৭৯ জন, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন ও পোলিং অফিসার ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৬৪ জন। এর পাশাপাশি পোস্টাল ভোটের দায়িত্বে ছিলেন প্রায় ১৫ হাজার কর্মকর্তা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুরো দেশকে কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় ছিল। নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর পাশাপাশি ১ লাখেরও বেশি সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিল।
এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মোতায়েন ছিল। এছাড়া নির্বাচনের নিরাপত্তায় প্রথমবারের মতো ইউএভি (আনম্যান এরিয়াল ভেহিকেল), এক হাজার ড্রোন ও ২৫ হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে।
ইসি সূত্র মতে, মোতায়েনকৃত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে ১ লাখ ৩ হাজার সেনাসদস্য, ৫টি জেলার ১৭টি আসনে ৫ হাজার নৌসদস্য, ৩ হাজার ৫০০ জন বিমান বাহিনীর সদস্য, ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য, ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৮ জন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য, ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন বিজিবি সদস্য, ৩ হাজার ৫৮৫ জন কোস্টগার্ড সদস্য, ৯ হাজার ৩৪৯ জন র্যাব সদস্য, বিএনসিসি’র ১২৮টি সেকশনের ১ হাজার ৯২২ সদস্য এবং সাপোর্ট সার্ভিস হিসেবে ১৩ হাজার ৩৯০ জন ফায়ার সার্ভিসের সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেছেন ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬৫৭ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচন-সংক্রান্ত অপরাধ আমলে নেওয়া এবং সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পন্নের লক্ষ্যে ২৯৯টি আসনে মোট ৬৫৭ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা আজ ও আগামীকাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতে প্রতি উপজেলা ও নির্বাচনী থানায় ন্যুনতম দুই জন করে মোট ১ হাজার ৪৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচনে ৮১টি দেশি নিবন্ধিত সংস্থার মোট ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করেছেন। এদের মধ্যে ৭ হাজার ৯৯৭ জন কেন্দ্রীয়ভাবে এবং ৪৭ হাজার ৪৫৭ জন স্থানীয়ভাবে সংসদীয় আসনভিত্তিক পর্যবেক্ষণ করেছেন।
ইসি জানায়, এই নির্বাচনে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ এবং সংবাদ সংগ্রহের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা থেকে ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক বাংলাদেশে এসেছেন। আগতদের মধ্যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের আমন্ত্রণে বিভিন্ন দেশের নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে আসছেন প্রায় ৬০ জন প্রতিনিধি। এ ছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা থেকে প্রায় ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং ৪৫টি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১৫০ জন বিদেশি সাংবাদিক এসেছেন।
ইসি’র আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ভুটান ও নাইজেরিয়ার প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মালয়েশিয়ার নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অফ এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিস (আইসিএপিপি)-এর স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো থেকে এসেছিলেন প্রায় ৩৩০ জন পর্যবেক্ষক।
এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পর্যবেক্ষক রয়েছেন ২২৩ জন। এছাড়া এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (এএনএফআরএফএল) থেকে ২৮ জন, কমনওয়েলথ থেকে ২৫ জন, ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) থেকে ১২ জন ও অন্যান্য সংস্থা থেকে প্রায় ৩০ জন পর্যবেক্ষক স্বপ্রণোদিত হয়ে যোগ দিয়েছেন।
ইসি সূত্রে মতে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে পোস্টাল ভোট বিডি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসী (ওসিভি) এবং দেশের অভ্যন্তরে (আইসিপিভি) মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার নিবন্ধন করেন। এর মধ্যে প্রবাসী ৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ জন। আর দেশের অভ্যন্তরে (আইসিপিভি) ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৩৮ জন ভোটার।
গণভোট ও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দুপুর ২টা পর্যন্ত ১১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৪৫টি পোস্টাল ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তার হাতে পৌঁছেছে। বিভিন্ন দেশে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পৌঁছেছে। প্রবাসীরা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৮টি ব্যালট সংগ্রহ করেছেন এবং এর মধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৭৫১ জন। ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৫৫৪ জন ভোটার তাদের ভোট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাকবাক্সে জমা দিয়েছেন। ইতিমধ্যে ৪ লাখ ৯৮ হাজার ২৬৬টি ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে এবং ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৫৫১টি ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তারা হাতে পেয়েছেন।
এদিকে দেশের ভেতরে ৭ লাখ ৬০ হাজার ৮৯৮ জনের কাছে ব্যালট পাঠানো হয়েছে। ভোটাররা ৬ লাখ ৮১ হাজার ৮১৯টি ব্যালট সংগ্রহ করেছেন এবং ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৩৭৬ জন। ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫০টি ভোট পোস্ট অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে এবং এ পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৬ লাখ ৪৮ হাজার ২৯৪টি ব্যালট হাতে পেয়েছেন।
ইসির নির্দেশনায় মতে, ভোট গ্রহণের জন্য ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত নিম্নোক্ত যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েিেছল। করার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে : (১) ট্যাক্সি ক্যাব (২) পিক আপ (৩) মাইক্রোবাস (৪) ট্রাক। একইসঙ্গে গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রয়েছে। ভোট গ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক, কারিগরি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব ব্যবস্থ নেওয়া হয়েছে বলছেন নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
প্রসঙ্গত, ইসি সূত্র মতে, নির্বাচনে ৩০০ আসনে ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল (রাজনৈতিক দলের ২ হাজার ৮৭ জন এবং স্বতন্ত্র ৪৮১ জন), যার মধ্যে বাছাইয়ে ১ হাজার ৮৪২টি বৈধ এবং ৭২৬টি বাতিল হয়। পরবর্তীকালে আপিল শুনানি শেষে ৪২৫ জন প্রার্থিতা ফেরত পান এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৩০৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।
ভোরের আকাশ/এসএইচ