শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শরিকদের কী বার্তা দিল বিএনপি

মাজাহারুল ইসলাম

প্রকাশ : ৫ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আর মাত্র তিন মাস পরই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ লক্ষ্যে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতিকে ইতিহাসের সেরা একটি নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও একই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। সরকারের এমন মনোভাবকে সাদুবাদ জানিয়ে নির্বাচনমুখী হয়েছেন রাজনৈতিক দলগুলো। এই ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক দলগুলো পুরোদমে এখন নির্বাচনমুখী। দলগুলো নিজ নিজ দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকাও ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন। একইসঙ্গে জয়ের টাগের্টে শীর্ষ দলের সঙ্গে ছোট ছোট দল জোট করে ভোটের মাঠে নির্বাচনী প্রচারনায় রয়েছে- যা দলগুলোর বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা দিলেও ইসির নির্বাচনের তপশিলের পরই আনুষ্ঠানিকভাবে চূাড়ন্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে দলগুলো। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনশটি আসনের মধ্য ২৩৭ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিএনপি। ৬৩টি আসনে ফাঁকা রাখা হয়েছে। এরমধ্যে অধিকাংশ আসন ছেড়ে দেওয়া হবে জোটের শরিক দলগুলোকে- যা বিএনপির সূত্রে জানা যায়।

দীর্ঘ ১৬ বছর ফ্যাসীবাদবিরোধী আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ থাকা রাজপথের সহযোদ্ধাদের ভোটের সঙ্গী হিসেবে পাশে চায় দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি-এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকসহ রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। তাদের ধারণা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের টাগের্ট করেই ভোটের মাঠে জোট করেছে দলটি। রাষ্ট্রক্ষমতার সঙ্গে থাকার লক্ষ্যে শীর্ষ এই দলটির সঙ্গে ছোট ছোট রাজনৈতিক দলগুলো জোটে ভোট করারও বিষয়টি মাথায় রেখে এগুচ্ছে- মনে করছেন এই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিএনপর অঘোষিত ৬৩টি আসনের বেশির ভাগ আসনে মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন পরীক্ষিত জোটভুক্ত দলের শরিক নেতারা। যেসব রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির পাশে ছিল, এমনকি ৫ আগস্টের পরও অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে সেই দলগুলোর কয়েকজন শীর্ষ নেতার জন্য বেশ কিছু আসন ফাঁকা রেখেছে দলটি। জোটগতভাবে আসন ভাগাভাগির সময়ে ওইসব আসনে বিএনপি শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেবে তা এখন দেখার বিষয়।

এছাড়া জোটগতভাবে বণ্টনের পর বাকি আসনে দলের অবশিষ্ট ত্যাগী নেতাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে। এর মধ্যে এমন কিছু আসন এখনো ফাঁকা রাখা হয়েছে যেখানে একাধিক যোগ্য প্রার্থীর মধ্যে কাকে মনোনয়ন দিলে জিতে আসা সহজ হবে সেটি আরও যাচাই করে দেখা হচ্ছে- দলটির  বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।

বিএনপির নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের একজন নেতা জানিয়েছেন, মিত্র দলগুলোর বাইরেও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ইসলামপন্থি কিছু দলের সঙ্গে তাদের আসন ভাগা-ভাগির প্রশ্নে আলোচনা চলছে। এসব দলের জন্যই আসন খালি রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কেবল মিত্রদের জন্যই নয়, কিছু আসনে স্থানীয় পর্যায়ে একাধিক প্রার্থী ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এসব এলাকায় অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও প্রার্থিতা নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় এখনই প্রার্থী চূড়ান্ত করা যায়নি বলে বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন।

দলটির এক কর্মসূচিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আমাদের সঙ্গে রাজপথের সঙ্গী ছিলেন এমন প্রার্থীকেও বিএনপি সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বাস্তবতার কারণে হয়তো কিছু সংসদীয় সংসদীয় আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন বঞ্চিত হবেন। বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী সমর্থকদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা, দেশ এবং জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে আপনারা এই বাস্তবতাটিকে মেনে নিবেন দয়া করে। দলের সিদ্ধান্তকেই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য করবেন।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, যুগপৎ আন্দোলনের শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য ৬৩টি সংসদীয় আসনে কোনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি। এসব আসনে বিএনপি ও শরিক দলগুলো আলোচনার মাধ্যমে প্রার্থী ঠিক করবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর পরে আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আমরা জাতীয় সংসদের নির্বাচন পেতে যাচ্ছি। আমরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের জন্য দীর্ঘ ১৫ বছর সংগ্রাম ও লড়াই করেছি।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রে উত্তরণের পথকে সুগম করার জন্য এবং আগামী আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সব ইউনিট ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের ২৩৭ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা দিয়েছি। এটি প্রাথমিক তালিকা। দল মনে করলে যেকোনো কারণে যেকোনো সংশোধনী আসতে পারে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই যে আমাদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলনে করেছেন, যেসব আসনে তারা আগ্রহী; সেসব আসনে আমরা কোনো প্রার্থী দেইনি। আমরা আশা করছি আলোচনার মাধ্যমে তারা তাদের নাম ঘোষণা করবেন। সেগুলো আমরা চূড়ান্ত করব।

তিনি বলেন, এটি আমাদের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা। এরমধ্যেও পরিবর্তন হতে পারে। বিশেষ করে আমাদের যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আমরা এ পরিবর্তন আনতে পারি। অথবা যদি স্ট্যান্ডিং কমিটি বা পার্লামেন্টারি বোর্ড মনে করে তারা কোনো আসনে পরিবর্তন আনবেন, নিঃসন্দেহে যে নিয়মগুলো আছে সেগুলো মেনে আমরা পরিবর্তন আনতে পারব।

তিনি আরও বলেন, তবে আমরা যে  সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা দিচ্ছি এটাকেই ধরে নিতে হবে সবচেয়ে অ্যাপ্রোপ্রিয়েট তালিকা। যেসব আসনে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি : ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৫, নীলফামারী-১, নীলফামারী-৩, লালমনিরহাট-২, বগুড়া-২, নওগাঁ-৫, নাটোর-৩, সিরাজগঞ্জ-১, পাবনা-১, ঝিনাইদহ-১, ঝিনাইদহ-২, ঝিনাইদহ-৪, যশোর-৫, নড়াইল-২, বাগেরহাট-১, বাগেরহাট-২, বাগেরহাট-৩, খুলনা-১, পটুয়াখালী- ২, পটুয়াখালী-৩, বরিশাল-৩, ঝালকাঠি-১, পিরোজপুর-১, টাঙ্গাইল-৫ ও ময়মনসিংহ-১০, কিশোরগঞ্জ-১, কিশোরগঞ্জ-৫, মানিকগঞ্জ-১, মুন্সীগঞ্জ-৩, ঢাকা-৭, ঢাকা-৯, ঢাকা-১০, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৭, ঢাকা-১৮, ঢাকা-২০, গাজীপুর-১, গাজীপুর-৬, নরসিংদী-৩, নারায়ণগঞ্জ-৪, রাজবাড়ী-২, ফরিদপুর-১, মাদারীপুর-২, সুনামগঞ্জ-২, সুনামগঞ্জ-৪, সিলেট-৪, সিলেট-৫, হবিগঞ্জ-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬, কুমিল্লা-২, কুমিল্লা-৭, লক্ষ্মীপুর-১, লক্ষ্মীপুর-৪, চট্টগ্রাম-৩, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১১, চট্টগ্রাম-১৪, চট্টগ্রাম-১৫ ও কক্সবাজার-২।

এ বিষয়ে বিএনপির জোটসঙ্গী একটি দলের একাধিক নেতা বলেন, তাদের কিছু আসনে ছাড় দেওয়ার বিষয়ে বিএনপি আগে থেকেই ইঙ্গিত দিয়েছিল। কিন্তু তা চূড়ান্ত হয়নি। খুব শিগগির আসন সমঝোতার আলোচনা হবে বলে তারা আশা করছেন।

বিএনপির মিত্র একটি জোটের একাধিক নেতা বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি সারা দেশে প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা ঘোষণা করেছে।

এর মধ্যে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা ও দশমিনা) আসনে এখন কৌতূহল আর জল্পনা বিরাজ করছে। বিএনপি এখনো এই আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি, আর তাতেই রাজনীতির মাঠে নতুন সমীকরণ তৈরি হলো বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন চলছে- এই আসনটি নাকি রাখা হয়েছে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের জন্য। এমন সম্ভাবনা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন, সর্বত্রই শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, বিএনপি হয়ত কৌশলগত কারণেই এই আসনটি খালি রেখেছে, ভিপি নূরের নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ জোট বা সমঝোতার অংশ হিসাবে। স্থানীয়ভাবে এরইমধ্যে ভিপি নূরের দলীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয়তা চোখে পড়ছে- বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিএনপর জোটসঙ্গী দলগুলোর সূত্রে জানা গেছে, এলডিপি, গণতন্ত্র মঞ্চ, গণঅধিকার পরিষদ, গণফোরাম, ১২ দলীয় জোট, সমমনা জোট ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের জন্য আসন ফাঁকা রেখেছে বিএনপি।

বিএনপির সমর্থন পাওয়ার ক্ষেত্রে যারা অগ্রাধিকার পেতে পারেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক। তিনি চট্টগ্রাম-১৪ আসনে বিএনপির সমর্থন পেতে পারেন। ওই আসনে কাউকে মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি। বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। এ আসনে কাউকে মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর তিনি পটুয়াখালী-৩ আসনে সমর্থন পেতে পারেন। দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান নির্বাচন করবেন ঝিনাইদহ-২ থেকে। এ আসনেও বিএনপি প্রার্থী দেয়নি। লক্ষ্মীপুর-১ আসনে সমর্থন পেতে পারেন বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র সাহাদাত হোসেন সেলিম। এ আসনেও বিএনপি কাউকে মনোনয়ন দেয়নি।

এ প্রসঙ্গে সাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, আমাকে অনেক আগেই মৌখিকভাবে কাজ করার জন্য বিএনপির উচ্চমহল থেকে সংকেত দেওয়া হয়েছে। আমি নির্বাচনী কার্যক্রম চালাচ্ছি। আশা করছি, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বিএনপির সমর্থন আমার ওপর থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালেও তিনি এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে লড়বেন জেএসডির আসম আব্দুর রবের স্ত্রী তানিয়া রব। এ আসনেও প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচন করবেন বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ। আর ববি হাজ্জাজ নির্বাচন করবেন ঢাকা-১৩ থেকে। এ দুটি আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেয়নি। ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপির সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান। এ আসনে বিএনপি কাউকে মনোনয়ন দেয়নি।

এ প্রসঙ্গে মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সময়ে আমরা বিএনপির পাশে থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করেছি। এখনো বিএনপির পাশেই আছি। জোটসঙ্গী হিসাবে আমি ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপির সমর্থন পাব বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২০১৮ সালের নির্বাচনে পিরোজপুর-২ আসনে নির্বাচন করেছিলাম। এবার ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপি আমাকে সমর্থন দেবে বলে বিশ্বাস করি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তিনি ওই নির্বাচনী এলাকায় জনসংযোগও করছেন। এ আসনটিতেও কাউকে মনোনয়ন দেয়নি দলটি।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

নির্বাচন কমিশনবিএনপিজাতীয় সংসদ নির্বাচন

শেয়ার করুন: