শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ক্ষমতায় গেলে জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারে কোনো ছাড় নয়: জামায়াত আমীর

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত কোনো অপরাধীকে ক্ষমা করা হবে না। তিনি বলেন, অতীতের অনেক বিষয়ে ছাড় দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু শহীদ আবু সাঈদ ও তার সহযোদ্ধা শরীফবিন হাদীর হত্যাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত কোনো ছাড় নেই।  

মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজার শহরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “মানুষ ভুল করতে পারে। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত তারা সেই ভুল বুঝতে না পারবে এবং তার দায় নেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো ছাড় নেই।”

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে জামায়াত আমীর বলেন, “যাদের বগলের তলে ঋণখেলাপির বোঝা, তারাই আবার দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার কথা বলে। এবার জনগণ তাদের লাল কার্ড দেখাবে। আগামী ১৩ তারিখ থেকে জনগণ একটি নতুন বাংলাদেশ পাবে।”

এর আগে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে সকালে তিনি কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে একটি জনসভায় বক্তব্য দেন। পরে শহরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দেন।

জনসভায় কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের আশ্বাস দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “১৮ কোটি মানুষের দেশে এই জেলায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে—এটাই আমাদের ঘোষণা। আল্লাহ যদি দেশবাসীর সেবা করার তৌফিক দেন, ইনশাআল্লাহ কক্সবাজার তার পাওনা পেয়ে গর্বিত হবে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রথম ভোট হবে ‘হ্যাঁ’—হ্যাঁ মানে আজাদি। দ্বিতীয় ভোট হবে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে। রাজার ছেলে রাজা হবে—এই বস্তাপচা নিয়ম ভাঙতে হবে। যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য স্থানে যাবে।”

রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “একটি দল শীতকালে চৈত্র মাসের মতো মাথা গরম করছে। মাথা ঠান্ডা করুন, শহীদ যোদ্ধাদের সম্মান করুন, মা-বোনদের সম্মান করুন।”

কক্সবাজারের পর্যটন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে জামায়াত আমীর বলেন, পর্যটন নগরী কক্সবাজারকে আধুনিক পর্যটন শহর হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং এই অঞ্চলের বেকারত্ব দূর করা সম্ভব হবে।

জনসভায় ১১ দলীয় জোটের পক্ষে জাগপা নেতা রাশেদ প্রধান, এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু, ডাকসু নেতা এস এম ফরহাদ, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মো. সিবাগাতুল্লাহ সিফাতসহ কক্সবাজার জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোরের আকাশ/আ.র

নির্বাচনী প্রচারণা

শেয়ার করুন: